শুক্রবার, ২৪শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

শেষ হলো ভারতের ১৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

AmaderBrahmanbaria.COM
জুলাই ১৭, ২০১৭
news-image

---

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :শেষ হলো ভারতের ১৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সোমবারসকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভারতের ৩২টি রাজ্যের বিধানসভাগুলিতে ও দিল্লির সংসদ ভবনের ৬২ নম্বর হলে ভোট নেয়া হয়। ভোট কেন্দ্রগুলিতে ছিলো কড়া নিরাপত্তা।

এবারের রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরের প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দ, অন্যদিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবিরের প্রার্থী মীরা কুমার। তারা দুইজনই দলিত সম্প্রদায়ের। দেশটির রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৫২ অনুসারে এই ভোটে প্রতিটি রাজ্যের নির্বাচিত বিধায়ক ও সংসদের দুইকক্ষের নির্বাচিত সদস্যরাই অংশ নিয়েছিলেন। যদিও মনোনীত সাংসদ (শচীন টেন্ডুলকারসহ ১২ জন) বা রাজ্যগুলির বিধানসভায় মনোনীত বিধায়কদের ভোটাধিকার ছিলো না।

এ দিন সংসদ ভবনে ভোট দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ, সংসদীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, বিজেপির জেষ্ঠ্য নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলী মনোহর যোশী। ভোট দেন কংগ্রেস সাংসদ ও দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, সাংসদ রাহুল গান্ধী, জয়রাম রমেশ, ন্যাশনাল কনফারেন্স সাংসদ ফারুক আবদুল্লা প্রমুখ।

দুপুরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ভোট দেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিসহ বিধায়ক ও সাংসদরা। দিল্লি বিধানসভায় ভোট দেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এছাড়াও নিজেদের রাজ্যের বিধানসভায় ভোট দেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্য বিধায়কও সাংসদরা।

 

ভোট প্রদান শেষে মমতা সাংবাদিকদের বলেন, হারবো জেনেও মীরা কুমারকে সমর্থনের মধ্যে দিয়েই আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছি। এই বুকের পাটা আমরা ছাড়া অন্য কারো নেই। তবে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে রামনাথ কোবিন্দের প্রতি তৃণমূলের শ্রদ্ধা থাকবে বলেও জানান মমতা।

তিনি বলেন, অন্য যিনি প্রার্থী আছেন তিনি হয়তো বিরোধী ভোটে জিতবেন। তার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা থাকবে। যেহেতু তিনি রাষ্ট্রপতি হবেন।

এই নির্বাচনে কোনো প্রতীক চিহ্ন ছিলো না। নির্বাচনের ব্যালটে এক নম্বরে নাম ছিলো মীরা কুমারের। দুই নম্বরে নাম ছিলো রয়েছে রামনাথ কোবিন্দের। সাংসদদের ব্যালটের রং ছিলো সবুজ আর বিধায়কদের ব্যলটের রং ছিলো গোলাপি। নিজেদের কলমের বদলে এবার কমিশনের তরফে দেয়া বেগুনি রঙের বিশেষ এক কালি দিয়ে ভোট দেন সাংসদ ও বিধায়করা। সাংসদের ব্যালট পেপার হিন্দিু ও ইংরেজি ভাষায় লেখা এবং বিধায়কদের জন্য ইংরেজি ও সেই রাজ্যের আঞ্চলিক ভাষা।

ভোট গ্রহণের পরই কড়া পাহারায় ব্যালট বাক্সগুলিকে দিল্লিতে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সংসদের ৬২ নম্বর ঘরে তালা বন্দি রাখা হবে। আগামী ২০ জুলাই ভোট গণনার দিনে খোলা হবে ব্যালট বাক্সগুলিকে। ২৫ জুলাই শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।