সোমবার, ১৮ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং ৪ঠা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

মের্কেলের বিরুদ্ধে জার্মানির রাস্তায় হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ

AmaderBrahmanbaria.COM
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৭
news-image

---

জার্মানির পার্লামেন্টে কট্টর ডানপন্থী দল এএফডির প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই ফ্যাসিবাদ-বিরোধিদের আন্দোলনে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই হাজারো ডানপন্থী সমর্থক রাস্তায় নেমে মের্কেল বিরোধী স্লোগান দিতে থাকে।

প্রতিবাদকারীরা ‘মুতি মের্কেল আমার মা নন’, ‘মের্কেলকে জেলে পাঠানো উচিত’ সহ নানা জাতীয়তাবাদি ও সহিংস ব্যানার উত্তোলন করে ও স্লোগান দেয়। তারা রাস্তা অবরোধ করে রাখে। তারা জাতীয় সংগীতের তালে তালে বলতে থাকে, ‘আমরা এবার ফিরে পাব আমাদের দেশকে, ফিরে পাব মানুষকে।’ এছাড়া জার্মানিতে এএফডির বিজয়ে অভিনন্দন জানিয়েছে ফ্রান্সের কট্টর ডানপন্থী নেত্রী ম্যারিন লি পেন।

এএফডির অলটারনেটিভ ফর ডয়েচল্যান্ডের ১৩ শতাংশ ভোট ও সংসদে ৮৮ আসনে প্রতিনিধিত্ব করার কারণ হিসেবে মের্কেলের যৌথ সহযোগী এসপিডির নেতা মার্টিন শুলৎজ বলেন,‘লাখ লাখ অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়ার নীতি জার্মানিকে বিভক্ত করে ফেলেছে।’ কারণ শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পরিবেশ ও প্রযুক্তির মত বিষয়ে এএফডি দলের স্পষ্ট অবস্থান নেই। কিন্তু শরণার্থী ও অভিবাসীদের কারণে জার্মানির মূল সংস্কৃতির অবক্ষয়, ইসলাম-বিরোধিতা ও ইউরোপিয় ইউনিয়নের হাতে মূল ক্ষমতার মতো বিভাজনমূলক বিষয়কে হাতিয়ার করে তারা এই সাফল্য দেখিয়েছে। নির্বাচনের সময় দলটি ‘ইসলাম জার্মানির অংশ নয়’ দাবি করে প্রচারণা চালিয়েছে।

এসপিডির তিন সমর্থক ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন, সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও ক্রিশ্চিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন চার বছর আগের তুলনায় ১৪ শতাংশ ভোট কম পেয়েছে। তাই মের্কেল নির্বাচনে জয়লাভ করলেও ডানপন্থীদের প্রতি অবাধ সমর্থন ও তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের এই নেত্রীর। বলতে গেলে তাকে এখন গুরু হেলমুট কোলের একত্রিক করা জার্মানিকে আবার নতুন করে সংঘবদ্ধ করতে হবে। ইতোমধ্যে তিনি বলেছেন, তিনি অবশ্যই নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির দ্বারা জার্মানিকে সুসংহত রাখবেন। সূত্র: ডেইলি মেইল, দ্য সান।