সোমবার, ২০শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

চলাচলের অনুপযোগী বগুড়া-ক্ষেতলাল সড়ক

AmaderBrahmanbaria.COM
অক্টোবর ১৭, ২০১৭
news-image

---

নিজস্ব প্রতিবেদক : বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে মহাস্থান সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভারি যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়েছে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল-বগুড়া সড়কে। এর ফলে সড়কটির প্রায় দশ কিলোমিটার অংশের খোয়া ও পিচ উঠে বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

সড়কটি এখন প্রায় চলাচল অনুপযোগী। একটু বৃষ্টি হলেই জমছে হাঁটু পানি। জয়পুরহাট জেলা শহর সহ পাশ্ববর্তী বগুড়া, নওগাঁ জেলা ও বিভিন্ন উপজেলাতে যাতায়াতের জন্য এ সংযোগ সড়কটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানায়, বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে বগুড়া-রংপুর মহাসড়কের মহাস্থান সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সমস্যাটি আরো বেড়েছে। পাথর বোঝাই ৪০-৪৫ টনের ভারি ট্রাক গুলো চলাচল করায় বেহাল দশা হয়েছে এই সড়কে। এর আগে সড়কের অবস্থা অনেকটা স্বাভাবিক ছিলো বলেই জানান তারা।

এ সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী যানবহনের চালকরা জানান, মহাস্থান সেতু অকেজো হওয়ার পর ক্ষেতলালের এই সড়ক পথে তিন দিনে শত শত গাড়ি চলাচল করেছে। আর তিন দিনেই সড়কটির জয়পুরহাট অংশের দশ কিলোমিটার জুড়ে পিচ ও খোয়া উঠে গেছে। অনেক জায়গায় দেবে গিয়ে বড় বড় গর্তে সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই পানিতে ডুবে গর্তগুলো যানবাহনের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়।

চালকরা আরো জানান, বিশেষ করে সড়কটির মোলামগাড়ী বাজারে প্রায় ৫০০ মিটার অংশের অবস্থা খুবই খারাপ। বাজারে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন অকেজো থাকার পাশাপাশি দুই পাশের উচুঁ স্থাপনার কারণে একটু বৃষ্টিতেই সড়কটি ডুবে যায়। আবার সড়কের বিভিন্ন জায়গায় দেবে বড় গর্তগুলোও পানিতে ভরাট হওয়ায় সড়ক না জলাশয় তা বুঝা যায় না। বগুড়া সঙ্গে যোগাযোগে জেলার অন্য সড়কের চেয়ে এই পথে দূরত্ব এবং খরচ কম হওয়ায় যাত্রীদের চাপও বেশী এই সড়কে।

মোলামগাড়ী হাটের রুবেল মিয়া বলেন, ‘ক্ষেতলাল বগুড়া সড়কটি চলাচলের একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আমরা এই সড়কটি দ্রুত সংস্কার চাই।,

ক্ষেতলাল বাজারের মুদি ব্যবসায়ী এমরান জানান, প্রতি সপ্তাহে বগুড়া থেকে তিনি দোকানে মালামাল পরিবহন করতেন এই সড়কে। কিন্তু চলাচল অযোগ্য হওয়ায় মিনি ট্রাক চালকরা এই পথে যাতায়াত করতে চায় না। এতে বিকল্প পথে ভাড়া বেশি দিয়ে গত এক মাস থেকে তিনি দোকানে মালামাল পরিবহন করছেন।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর সিদ্দিক বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ইট ভরাট করে চলাচল উপযোগী করার কাজ চলছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মোলামগাড়ী বাজারে ড্রেন নির্মাণসহ পরো সড়ক মেরামত করতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া মাত্র সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।