মঙ্গলবার, ১৯শে ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং ৫ই পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

তিতাস নদীর উপর আমিনপুর-রসুলপুর ব্রীজটির কতটুকু  সুফল পাবে এলাকাবাসী

AmaderBrahmanbaria.COM
ডিসেম্বর ৭, ২০১৭
news-image

---
তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মনবাড়িয়া শহরতলীর আমিনপুর-রসুলপুর এর তিতাস নদীর উপর প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যায়ে ব্রীজ নির্মান হচ্ছে ব্রীজ।এটির কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, যা শেষ হবে আগামী ২০১৮ সাল নাগাদ। একটি ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠান প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এরই মাঝে ব্রীজের আনুমানিক ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর ও পার্শ্ববতী কুমিল্লা জেলার কয়েকটি উপজেলার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের সাথে সরাসরি সড়ক যোগযোগ প্রতিষ্ঠা হবে। এর সুফল পাবে কয়েক লাখ মানুষ।
এ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের শত বছর ধরেই তিতাস নদীর উপর ব্রীজ নির্মানের স্বপ্ন দেখে আসছে। দীর্ঘ পথ মাড়িয়ে  ব্রীজ নির্মান কাজ করা হলেও চওড়া কম হওয়ায় এ যেন আশা ভঙ্গ করার মত। ব্রীজটির দৈঘ্য প্রায় ১ কিলোমিটারের মত আর চওড়া ১৮ ফুট। পাশাপাশি রাখা হয়েছে ফুটপাত। যা দিয়ে ২ টি যান কোন রকম চলাচল করতে পারবে। ব্রীজের ২২ টি পিলার নির্মানের পর সংশ্লিষ্টদের কাছে মনে হয়েছে আসলেই চওড়া কম হয়েছে। পরবর্তীতে ডিজাইন পরিবর্তন করা হলেও খুব একটা চওড়া হয়নি বলে স্থানীয়রা হতাশা প্রকাশ করেছে। ৬০ ভাগ কাজ শেষ হওয়ার পর ত্রুটি ধরা পরলো সংশ্লিষ্টদের সামনে। বুঝতে পারলো ব্রীজের চওড়া কম হয়েছে। এতে বাধা গ্রস্থ হতে পারে যানবাহন ও পথচারী চলাচল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজাইন পরিবর্তন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
সূধীজনরা বলছেন, যে ব্রীজ দিয়ে লাখ লাখ মানুষ চলাচল করবে তার চওড়া খুবই কম। নির্মান কাজ সম্পন্ন হলে  সাঁকোর মতই দেখাবে। আলোচিত এই ব্রীজটির নির্মান কাজ চলছে নবীনগর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের আমিনপুর-রসুলপুর সংযোগস্থলে তিতাস নদীর উপর দিয়ে।
এলাকাবাসী জানায়, ব্রীজটির কাজ করা হল ঠিকই মানুষ চলাচল কি ভাবে করবে ? সরু হয়ে গেছে। উপরের অংশ সরু।  গাড়ি ও মানুষ চলাচল ব্যহত হবে।  ব্রীজটি আমাদের অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল। এখন সরু হয়ে গেছে। কি ভাবে মানুষ চলাচল করবে আমাদের বোধগম্য নয়। প্রয়োজনমত  চওড়া হলে যানবাহন ভালভাবে চলাচল করতে পারত।
এলাকার সাবেক এক জনপ্রতিনিধি জানান, এত বড় একটা ব্রীজ। এটি দিয়ে লাখ লাখ মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করবে। নৌকার মত দেখা যায়। প্রস্তুত হলে বাঁশের সাকোর মত বুঝা যাবে। এখন তারা বলেছে, চওড়া বাড়ানোর ব্যবস্থা নেই। এতে যানবাহন ও মানুষ চলাচল বিঘ্নিত হবে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়াএলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গেজেট ফলো করেই চওড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে চওড়া নিয়ে যে কথা বলা হয়েছে তা নিয়ে কোন সমস্য হবে না। জনগনের টাকায় কাজ করে জনগনের চলাচল বিঘ্নিত হবে এমন কাজ করার আমাদের ইচ্ছা নেই। তারপরও যদি কোন সমস্যা থাকে কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে সমাধান করব।