বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

news-image

মাজহারুল করিম অভি : ভালোবাসা একটি বিশেষ দিনের জন্য নয়। সারা বছর, সারা দিন ভালোবাসার। তবু একটি দিনের কপালে জুটেছে ভালোবাসা দিবসের তকমা। বছর ঘুরে আবার ফিরে এলো সেই দিন বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আজ বুধবার।

মঙ্গলবার (১ ফাল্গুণ) ছিল বসন্তের দিন, বুধবার (১৪ ফ্রেবুয়ারি) দিনটি ভালোবাসার। বসন্তের সঙ্গে ভালোবাসার গভীর সম্পর্ক। দুটি দিবস পাশাপাশি হওয়ায় আনন্দের মাত্রাটাও বেশি। এই দুটি দিবস মিলে আমরা সারা বছর ধরেই যেন বসন্তের আবহের মধ্যে থাকতে পারি, ভালোবাসার আবহের মধ্যে থাকতে প্রত্যাশা সবারই।

ভালোবাসার দিনে মনের যত বাসনা, না-বলা কথা ডালপালা মেলে আজ ছড়িয়ে পড়বে বসন্তের মধুরেণ হাওয়ায়। হৃদয়ে লাগবে দোলা, ভালোবাসার রঙে রঙিন হবে দিন। ‘হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল’ হয়ে প্রহর কাটবে প্রেমপিয়াসিদের।

প্রেমপিয়াসি হৃদয়ের কাছে বিশেষ গুরুত্ব আছে এই দিনটির। বছরের এই দিনটিকে সারা বিশ্বের তরুণ-তরুণীরা বেছে নিয়েছে হৃদয়ের ব্যাকুল কথার কলি ফোটাতে। যদিও এটি পশ্চিমা রীতি।
বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস পালনের রীতি খুব বেশিদিনের নয়। মূলত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে দিবসটি ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। আজ তাই দিনভর তারুণ্যের উচ্ছ্বাস দেখা যাবে।
ভ্যালেন্টাইনস ডে পালনের রীতিটা মূলত ইউরোপীয়। আমাদের দেশে প্রায় দেড় দশক আগে এই দিবস পালনের সূচনা। তবে বাঙালি সংস্কৃতিতে বসন্ত উৎসব উদ্যাপনের রেওয়াজ সেই অনাদি কাল থেকেই।

সনাতন ধর্মাচারীরা দোলযাত্রা, বাসন্তীপূজা, হোলি উৎসবে প্রণয়কে মুখ্য করে রেখেছিল। আর এখন তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ভ্যালেন্টাইনস ডে এক বিশেষ উৎসবের দিন।
ভালোবাসা দিবস মানেই প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশেষ দিন উদ্যাপন। দিবসটি উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সব গিফট শপেই ছিল তরুণ-তরুণীর ভিড়। ভিড় ছিল ফুলের দোকানেও। অ্যালবাম, পোশাক-আশাকসহ নানা ধরনের উপহারসামগ্র্রীর চাহিদা ছিল বেশ। আজ সারা দিন মোবাইল ফোনে, ফেসবুকে শুভেচ্ছাবিনিময় চলবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফারুকী পার্ক, গাও গেরাম রেস্তোরা , কালিসীমা নদীর পাড় সহ সকল পর্যটন স্থান ও রেস্টোরেন্টে মুখর থাকবে সারা দিন। ভালোবাসা দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যাপনের কর্মসূচিও আছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন স্থানে।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে ১৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা পুলিশ লাইনস্ মাঠে ড্রীম ফর ডিসএ্যাবিলিট ফাউন্ডেশন ও বন্ধু তোমাকে চাই অসহায় মানুষের পাশে ফাউন্ডেশন এর যৌথ উদ্যোগে Bangladesh-india friendship festival of physically challenged -২০১৮  আয়োজন করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email