শনিবার, ২৩শে জুন, ২০১৮ ইং ৯ই আষাঢ়, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

পাঁচ নদীর দশ স্টেশন বিপদসীমার উপরে

news-image

নিউজ ডেস্ক।। বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে দেশের পাঁচ নদীর দশ স্টেশনের পানি সমতল। আপার মেঘনা অববাহিকার নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার সুরমা, কুশিয়ারা ও মনু নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে।

বাড়ছে গঙ্গা-পদ্মার পানি সমতল। হ্রাস পাচ্ছে দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অববাহিকার নদীগুলোর পানি। স্থিতিশীল রয়েছে ব্রক্ষপুত্র – যমুনা নদ নদীর পানি। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বন্যা তথ্য কেন্দ্র এ খবর দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও ভারতীয় আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও নদ নদীর পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, আগামী ২৪ ঘন্টায় বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তদসংলগ্ন ভারতের প্রদেশগুলোতে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী সুরমার পানি সমতল যথাক্রমে কানাইঘাট ও সিলেটে বিপদসীমার ২০৬ ও ২৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কুশিয়ারার পানি অমলশীদ, শেওলা ও শেরপুর-সিলেট স্টেশনে বিপদসীমার ১৬১, ৯৭ ও ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

মনু নদীর পানি মনু রেলওয়ে ব্রীজ ও মৌলভীবাজারে ১২৫ ও ৭৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। খোয়াই নদীর পানি হবিগঞ্জে বিপদসীমার ১২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। খোয়াই এর পানি বান্নায় ১৩৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৯০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সারিঘাটে সারিগোয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে যাচ্ছিল।

দেশের পর্যবেক্ষণাধীণ নদ-নদীর ৯৪টি পানি সমতল ষ্টেশনের মধ্যে ৫৫ টি’র পানি বেড়েছে, কমেছে ৩৩টিতে। এদিকে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের ছাতকে সর্বোচ্চ ২৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এসময় কুড়িগ্রামে ১৭৮ মিলিমিটার, ডালিয়ায় ১২৮ মিলিমিটার, লালাখানে ২৫৫ মিলিমিটার, শেওলায় ১৫০ মিলিমিটার, মহেশখোলায় ৯১.১ মিলিমিটার, জাফলং এ ১৭৭ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জে ১৭৫ মিলিমিটার, কানাইঘাটে ১২৭ মিলিমিটার, সিলেটে ১২০ মিলিমিটার, লরেরগড়ে ১০৯ মিলিমিটার ও টেকনাফে ২০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়। এসময় ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ২৮২ মিলিমিটার, ধুব্রিতে ৫৩ মিলিমিটার, গোয়াহাটে ৩৮ মিলিমিটার, শীলচরে ৬১ মিলিমিটার, গ্যাংটকে ৪৪ মিলিমিটার ও জলপাইগুড়িতে ৫৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email