সোমবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

৪ শর্তে আগামী নির্বাচন হতে পারে : এমাজউদ্দীন

news-image

বিএনপির চেয়ারপরাসন খালেদা জিয়াসহ ২০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে করা ৭৮ হাজার হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারসহ চারটি শর্ত পূরণ হলে আগামী নির্বাচন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ।

শনিবার ( ২১ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবদী ফোরম আয়োজিত ‘খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তি ও তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা ও দণ্ডাদেশ প্রত্যাহারের’ দাবিতে আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারকে ন্যায়সঙ্গতভাবে আইনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের প্রথম শর্ত হচ্ছে নির্বাচন। গণতন্ত্রের স্বার্থে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ নির্বাচনের জন্য সরকারকে চারটি শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত বিএনপির চেয়ারপারসনসহ সারাদেশের বিভিন্ন দলের ২০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ৭৮ হাজার মামলা রয়েছে। এগুলো প্রত্যাহার করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের তফসিলের আগে চলমান জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে হবে। তৃতীয়ত, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি মিলে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করবে। এতে বৃহত্তম বিরোধীদল হিসেবে বিএনপিকে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়সহ ৩-৫টি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে হবে। যাতে তারা সঠিকভাবে নির্বাচনের জন্য কাজ করতে পারেন।

এ ছাড়াও ভোটাররা যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পারে। পাশাপাশি প্রার্থীরা যাতে সব ভোটারের কাছে ভাট চাইতে পারে সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর এখন পর্যন্ত তিনবার গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমবার ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যা করেছিলেন। এরপর ৯১ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন করে গণতন্ত্রকে ফিরে আনা হয়। এরপর ২০০৭ এবং ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে। এ মৃত গণতন্ত্রকে খালেদা জিয়াই পুনরুদ্ধার করবেন।

সংগঠনের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়াকে নিয়েই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার মুক্তির জন্য আইনি সহায়তার পাশাপাশি গতকাল সমাবেশ করে যে শক্তি দেখিয়েছে বিএনপি। নিয়মতান্ত্রিকভাবে সেই আন্দোলন করে রাজপথে থেকে সেই শক্তি দেখাতে হবে।

বর্তমান সরকারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে কবরে নিয়ে গেছে। এ কারণে গতকালও তিনজন এইচএসসি শিক্ষার্থী মারা গেছে।

banglanews24.com