সোমবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

শপথের আগে ক্ষমা চাইতে হবে ইমরান খানকে: পাক নির্বাচন কমিশন

news-image

পূর্ব নির্ধারিত ১১ আগস্ট শপথ নিতে পারছেন না ইমরান খান। নির্বাচনি বিধি ভঙ্গের অভিযোগে তাকে নির্বাচন কমিশনের কাছে শপথ গ্রহণের আগেই লিখিতভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। সেই মর্মে তাকে একটি চিঠিও লিখে পাঠিয়েছে পাক নির্বাচন কমিশন।

দেশটির নির্বাচন কমিশন ইমরান খানের আইনজীবী বাবর আওয়ানকে জানায়, শুক্রবারের মধ্যে ইমরানকে ওই চিঠি দিতে বলা হয়েছিল। সেই চিঠিতে অবশ্যই তার হস্তাক্ষরও থাকতে হবে। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিরোধী দলের বিরুদ্ধে আপত্তিজনক শব্দ বলা এবং প্রকাশ্যে ভোট দিয়ে নির্বাচনী রীতি লঙ্ঘন করার অভিযোগ তোলা হয় ইমরান খানের বিরুদ্ধে। এর নিষ্পত্তি হওয়ার পর আগামী ১৪ কিংবা ১৫ আগস্ট ইমরান খান শপথ নিতে পারেন।

এ বিষয়ে আইনজীবী বাবর আওয়ান পাক ইলেকশন কমিশনের কাছে একটি লিখিত ব্যাখ্যা দেন। এতে তিনি জানান, তার ক্লায়েন্ট ইচ্ছাকৃতভাবে বিধিভঙ্গ করেননি। পোলিং বুথের মধ্যে উপচে পড়া ভিড় থাকায় পর্দার ভেতর ভোটপ্রদানের গোপনীয়তা রক্ষা করা হয় তা পড়ে যায়। সেই মুহূর্তে ইমরান খানের অনুমতি ছাড়াই তার ব্যালটের ছবি নেয়া হয়।

তবে ইমরানের আনজীবীর এই ব্যাখ্যা খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ইমরান খানকে লিখিতভাবে চিঠি দিয়ে ক্ষমা চাইতেই হচ্ছে।

অবশ্য নির্বাচনী প্রচারে আপত্তিজনক কথা বলার জন্য বৃহস্পতিবার ক্ষমা চান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সর্দার আয়াজ সাদিক, খাইবার পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পারভেজ খাট্টাক এবং এমএমএ নেতা মৌলানা ফজলুর রহমান। পাক নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেছে।
এদিকে তার বিরুদ্ধে পাক সরকারের আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ২০১৩ সাল থেকে ক্ষমতায় রয়েছে ইমরানের দল পিটিআই। সেখানে ৭২ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সরকারি হেলিকপ্টার চালিয়ে সরকারের প্রায় ২১ লাখ টাকা ক্ষতি করেছেন ইমরান খান। আর সেই অভিযোগের তদন্ত করছে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো (এনএবি)। সূত্র: ডন নিউজ