শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

টাইটানিক এর কিছু রহস্যময় ঘটনা, যা এখন সবার অজানা দেখুন (ভিডিওতে)

news-image

টাইটানিক এর কিছু রহস্যময় ঘটনা, যা এখন সবার অজানা দেখুন (ভিডিওতে)
\
অন্যরা যা পড়ছে….খ্যাপাটে এক ঢাকাইয়া বাঙালের গল্প
১৯৪৮ সাল। সদ্যই স্বাধীন হয়েছে ভারতবর্ষ। হঠাৎই দৃশ্যপটে তপন দাস। মদ্যপ আর বদমেজাজি। লোক ঠকাতেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। এত দোষ থাকার পরও এই বাঙালিকে সবাই মনে রেখেছে, কারণ তিনিই দেশকে অলিম্পিকে প্রথম সোনা এনে দিয়েছিলেন। না, কোনো খেলোয়াড় নন। তপন ছিলেন লন্ডন অলিম্পিকে ভারতীয় হকি হলের কোচ! এই তপন দাসের সঙ্গে বাংলাদেশেরও সম্পর্ক আছে। কারণ ভদ্রলোক ছিলেন বাঙাল! কাকতালীয়ভাবে তাঁর চরিত্রে যাঁকে নেওয়া হয়েছে সেই অক্ষয় কুমারও একসময় ঢাকায় কাজ করতেন। অভিনেতা মনে করেন এই তপন চরিত্রটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম চ্যালেঞ্জিং একটা চরিত্র, ‘তপন এক রহস্যময় মানুষ। আপাতদৃষ্টে সে মদ্যপ, ঠগ। কিন্তু খেলার প্রতি তাঁর ভালোবাসার কোনো তুলনা নেই। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কোনো অবকাঠামো ছিল না, খেলোয়াড়দের জন্য কোনো সুবিধাও ছিল না। কিন্তু তপন ছিলেন নাছোড়বান্দা। পুরো ভারত ঘুরে ঘুরে তিনি খেলোয়াড় খুঁজে বের করেছেন। তাকে পর্দায় তুলে আনা বিশেষ করে তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ রপ্ত করা খুব কঠিন ছিল।’ যদিও সিনেমাটির স্ক্রিপ্ট যখন শোনেন তপন সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না অভিনেতার। পরে যত জেনেছেন ততই অবাক হয়েছেন। তপন বাঙালি হওয়ায় স্বভাবতই ছবিতে প্রচুর বাংলা সংলাপ আছে। মুক্তির আগে বাংলায় একটি গানও ছাড়া হয়েছিল। তবে বাংলা বলতে ততটা বেগ পেতে হয়নি অভিনেতাকে। কারণ আশির দশকে দীর্ঘদিন তিনি কাজ করেছেন কলকাতার নিউ মার্কেট অঞ্চলে। কাজ করেছেন ঢাকার একটি রেস্টুরেন্টেও। তবে সেটা অনেক আগে। শুটিংয়ের আগে বাংলা আরো নিখুঁত করতে রীতিমতো প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তিনি। কলকাতায় থাকার অভিজ্ঞতা বাঙালির চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে বিশেষভাবে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন অভিনেতা, ‘দুই বছর ছিলাম কলকাতায়। অনেক কিছু শিখেছি। যেগুলো অনেক কাজে লেগেছে। বাঙালিরা খুব জেদি হয়। কোনো বিষয় একবার মাথায় ঢুকলে যেনতেন প্রকারে সেই কাজটা করেই ছাড়ে। তাতে পুরো জীবন লেগে গেলে, লেগে যাবে। তপনও ঠিক তেমনই ছিলেন।’

গেল কয়েক বছর ধরেই দেশাত্মবোধক ছবি করছেন অক্ষয়। এবারও ব্যতিক্রম নয়। ধারণা করা হচ্ছে, আগেরগুলোর মতো এবারেরটিও ব্যবসাসফল হবে। অভিনেতা অবশ্য এসব হিসাব-নিকাশের চেয়ে ছবির বিষয়কেই এগিয়ে রাখছেন, ‘ব্রিটিশরা দুই শ বছর ধরে ভারতকে শাসন করেছে। স্বাধীনতার এক বছরের মধ্যে তাদের মাটিতে গিয়ে তাদেরকেই হারিয়ে স্বর্ণ জেতা অবিশ্বাস্য ঘটনা। এটা একটা অসম্ভব আবেগের ব্যাপারও। চাপা পড়ে যাওয়া এই ঘটনা নিয়ে তৈরি ছবির সঙ্গে যে যুক্ত হতে পেরেছি সেটাই বিরাট কিছু।’
‘গোল্ড’-এর আছেন বাঙালি অভিনেত্রী মৌনি রায়ও। টিভিতে ‘নাগিন’ দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করে খুশি অক্ষয়ও। ছবিতে তপন দাসের স্ত্রীর চরিত্রে আছেন মৌনি।
ছবির শুটিং হয়েছে ভারত ও ইংল্যান্ডে। যদিও অলিম্পিক স্বর্ণপদক এসেছিল যে ওয়েমব্লি স্টেডিয়ামে সেখানে শুটিং হয়নি। অন্য জায়গায় সেটা পুনর্নির্মাণ করা হয়ছে। এ ছাড়া কয়েকটি অংশের শুটিং হয়েছে ওডসল স্টেডিয়ামে। সত্যিকারের দুই শ হকি খেলোয়াড় ছবিতে অভিনয় করেছেন। এ ছাড়া ছবিতে দেখা যাবে দুই হাজারেরও বেশি অভিনেতাকে, যা বলিউডের জন্য অনেক বড় সংখ্যা।
‘গোল্ড’ পরিচালনা করেছেন রীমা কাগতি। ২০১২ সালে ‘তালাশ’ মুক্তির ছয় বছর পর আসছে তাঁর ছবি।

এ জাতীয় আরও খবর