বুধবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

খেলাপি ঋণের ৩ কারণ

news-image

গ্রহীতাদের অনেকে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী অথবা প্রভাবশালী কারো সহায়তায় ঋণ পেয়েছে, যে কারণে তারা ঋণ ফেরত না দেবার সুযোগ নিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর বিবিসি বাংলার এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,কয়েকটি কারণে ঋণ খেলাপি হয়, একটা হলো পর্যাপ্ত ‘সিকিউরিটি’ না নেওয়া, আরেকটি হলো দুর্বলভাবে সেটাকে মূল্যায়ন করা। আরো একটি কারণ আছে, তা হলো বাইরের চাপে কাজটি করা, এখানে রাজনীতি প্রধান কারণ। অর্থাৎ যারা যখন ক্ষমতায় থাকেন, তাদের সমর্থিত লোকজন জোর করে ব্যাংক থেকে টাকা বের করে নিয়ে যায়। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মালিক যেহেতু সরকার, ফলে ঐ ব্যাংকের রাজনৈতিক লোকজন যখন ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সেটা সহ্য করার ক্ষমতা থাকে না। কারণ মালিকের পক্ষ থেকে চাপ আসলে তো কিছু করার নেই।

অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা বাংলাদেশের বর্তমান অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটের ৭৩ শতাংশের সমান।

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী সোনালী, জনতা ও অগ্রনীসহ রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচটি ব্যাংকের কাছেই পাওনা ৫৬ হাজার কোটির টাকার বেশি। এদের মধ্যে শীর্ষ খেলাপি সোনালী ব্যাংক।

বুধবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। অনাদায়ী এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকার বেশি, যা বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের এক চতুর্থাংশের বেশি। রাষ্ট্রায়ত্ত এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণ আদায় না হওয়ার কারন হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝুঁকি পর্যালোচনা গ্রহীতাদের তাদের আমানতের চেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে।