রবিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বাড়ছে অর্থ পাচারের শঙ্কা

news-image

আগামী সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বেড়েছে অর্থ পাচারের ঝুঁকি। বিগত নির্বাচনেও পাচার হয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ। মূলত আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালেই চলে যায় টাকা। বিশ্লেষকরা বলছেন, তাই নজরদারি বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

দেশ থেকে পাচার হচ্ছে অর্থ, আমদানি এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্যের হেরফের করেই হয়, অর্থ পাচার।

এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ করেছে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিআইজে। আর এতে বলা হচ্ছে তালিকায় আসা ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ স্থানান্তর হয়। আর আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তীব্র হয়েছে পাচারের সংখ্যা।

নানা শঙ্কা এবং আশঙ্কায় বাইরে যাচ্ছে অর্থ। পাচারে ক্ষেত্রে বৈধ এবং অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ রয়েছে। বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় বাণিজ্যের আড়ালেই হয় অর্থ পাচার।

ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে ঠিকভাবে যাচাই হচ্ছে না তথ্য। নিরুপণ করা হয় না পণ্যের অর্থমূল্য, ফলে বাড়ছে অর্থপাচার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক সব ব্যাংকে এমন নির্দেশনা দিয়েছে যাতে কোনোভাবেই টাকা বিদেশে পাচার না হয়। সেক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সচেতন আছে।

২০১৬ সালে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের অর্থ পাচারের পরিমান ছিল ৫ হাজার ৫শ ৬৬ কোটি টাকা। সূত্র : যমুনা টেলিভিশন