রবিবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে আ.লীগ

news-image

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরির কাজ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকালীন সময়ে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ যাতে প্রার্থী না হয় সে বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করছে দলটি। দলের নীতিনির্ধারকরা বলছেন, কেউ যদি এমন কাজ করে তাদের ব্যাপারে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কঠোর কঠোর অবস্থানে।

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তারা ইতিমধ্যে প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তালিকায় থাকারাই আওয়ামী লীগের টিকিট পাবেন। এর থেকে দু একটি এদিক-সেদিক হতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ আসনেই একাধিক নেতা প্রার্থী হতে চায়। এজন্য তারা সংশ্লিষ্ট আসনে এখনো প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ যাতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ঝামেলা তৈরি না করতে পারে সেজন্য আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড।

দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা জানান, যে সকল আসনে একাধিক ব্যক্তি প্রার্থী হতে চায় তাদেরকে আগে থেকেই সতর্ক করা হচ্ছে। যোগ্য ও পরিক্ষীত নেতাদেরকেই মনোনায়ন দিবে দলটি। এমনও হতে পারে যে একই আসনে একের অধিক যোগ্য প্রার্থী রয়েছে। সেক্ষেত্রে যাকে সব থেকে বেশি যোগ্য ও জনপ্রিয় মনে হবে তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী লে. কর্ণেল অব. ফারুক খান এই প্রতিবেদককে জানান, যাকে দল মনোনয়ন দেবে অন্য সবাই মিলে তার জন্য কাজ করবেন। যদি কেউ তার পক্ষ্যে কাজ না করে বা তাকে সাহায্য না করে, এবং বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে আমাদের গঠনতন্ত্রে দলীয় শৃঙ্খলা বিধির সুস্পষ্ট বিধান আছে, সেই অনুযায়ী শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাগীর কবির নানক বলেছেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। এমন দলে প্রতিযোগিতা থাকাটা স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের সাভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনায়ন দেবেন তার পক্ষ হয়ে সকলে কাজ করা উচিত। এর প্রতিফলন দেখা গেছে সিটি কর্পোরশন নির্বাচেনে। সবাই ঐক্যবদ্ব হয়ে কাজ করেছে ফলে আমাদের জয় নিশ্চিত হয়েছে।