বুধবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং ২রা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হোটেল-রেঁস্তোরায় অস্বাস্থ্যকর খাদ্য ,হুমকির মুখে জনস্বাস্থ্য

news-image

তৌহিদুর রহমান নিটল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের হোটেল ও রেঁস্তোরা গুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশন করায় হুমকির মুখে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। বাইরে চাকচিক্য থাকলেও অধিকাংশ হোটেল রেঁস্তোরার খাবারের মান খুবই খারাপ। এ ব্যপারে সম্প্রতি বিভিন্ন সময় ১৪৮টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানাও করা হয়। কিন্তু অভিযানের সময় এসব প্রতিষ্ঠান নড়েচড়ে বসলেও কিছু দিনের মধ্যেই আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসে।

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় দ্রুত এসব হোটেল রেঁস্তোরার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী ভোক্তাদের। সংশ্লিস্টরা জানিয়েছেন বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আনাচে  কানাচে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে সহ¯্রাধিক হোটেল রেঁস্তোরা। এর মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হলেও বেশীরভাগ হোটেল – রেঁস্তোরা কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছেনা।

অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেবেশে খাবার তৈরীর পাশাপাশি অবাধে পরিবেশন করা হচ্ছে পঁচা ও বাসি খাবার। এসব খাবার খেয়ে প্রতিনিয়ত মানুষ ডায়রিয়া ,টাইফয়েড ও পেটের পিড়া সহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ভোক্তাদের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য এমন ভাবে খাবার গুলো সাজিয়ে রাখা হয় যে খালি চোখে বোঝার কোন উপায় নেই খাবার গুলো যে এতটা অস্বাস্থ্যকর। অনেক অভিজাত হোটেল-রেস্টুরেন্টেও পোকা মিশ্রিত খাদ্য-দ্রব্যে পরিবেশনের অভিযোগ রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কঠোর নজরদারির অভাব রয়েছে বলে মনে করছেন ভুক্ত ভোগীরা ।

হেলথ ইন্সেপেক্টর গুলো যদি সঠিকভাবে কাজ করত তাহলে এমন হত না বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি- ডাঃ বজলুর রহমান। রেস্তোরা মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা চেম্বারের সহসভাপতি শাহ আলম জানান, বিগত ২ বছরের তুলনায় বর্তমানে হোটের-রেস্তোরার সংখ্যা বাড়লেও শুধুমাত্র ২১টি হোটেল সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী চলছে। অন্যদিকে জনসাধারনের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় হোটেল-রেস্তোরাগুলোতে প্রতিনিয়তই অভিযান পরিচালনার কথা জানান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগের সহকারি পরিচালক,জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ,ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাহা উদ্দিন ভূঁঞা, ।