শুক্রবার, ১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

চালু হলো চীনের হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু

news-image

অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলো চীনের হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও সেতু। আজ মঙ্গলবার চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এই সেতুর উদ্বোধন করেন। প্রথম নির্মাণকাজ শুরু করার নয় বছর পর চালু হলো এই সেতু।

‘হংকং-ঝুহাই-ম্যাকাও ব্রিজ’ সমুদ্রের ওপর বিশ্বের অন্যতম বড় সেতু। ২ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ে তৈরি সেতুতে ৪ লাখ টন স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। সেতুটি নির্মাণ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয় চীনে। নির্মাণকাজ কয়েকবার পিছিয়ে যায়। কিন্তু দেশটি সমালোচনাকে পাশ কাটিয়ে তৈরি করে ফেলেছে সেতুটি।

কাল বুধবার থেকে সেতুটি যাতায়াতের জন্য ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। এই সেতু দিয়ে ম্যাকাও ও হংকংয়ের যাত্রী ও যানবাহনগুলো সরাসরি বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াত করতে পারবে। চীনের নদী পার্ল রিভারের ওপর দিয়ে সেতুটি সমুদ্র পার হয়ে চলে গেছে ওপারে। হংকং থেকে ম্যাকাওয়ে সড়কপথে যাতায়াতে তৈরি এ সেতু ৫৫ (৩৪ মাইল) কিলোমিটার দীর্ঘ। যাত্রাপথে সেতুটি আরও ১১টি বড় শহরকে যুক্ত করেছে। দক্ষিণ চীনের ৫৬ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার ৬ কোটি ৮০ লাখ মানুষ এ সেতুর সুবিধা পাবে। এ সেতু চালু হওয়ায় হংকং ও ম্যাকাওয়ের মধ্যে দূরত্ব আড়াই ঘণ্টা কমে এসেছে। আগের তিন ঘণ্টার পথ এখন আধা ঘণ্টায় যাতায়াত করা যাবে।

সেতুটি যাতায়াতের জন্য কাল বুধবার থেকে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। ছবি: রয়টার্স

এই সেতুতে চলতে হলে প্রাইভেট কারকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। সেতুটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে পর্যটকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ম্যাকাও ও ঝুহাইয়ের মধ্যে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স বা ছাড়পত্র নিতে হবে। পর্যটকদের জন্য দুই ধরনের সরকারি যানবাহন থাকবে। এর মধ্যে একটি নিয়মিত বাস সার্ভিস। অন্যটি শাটল সার্ভিস। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ৯ হাজারের বেশি যান এই সেতু দিয়ে চলাচল করবে।

চীনা কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই সেতু অর্থনীতিতে যোগ করবে প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ডলার। তবে হংকংয়ের আইনপ্রণেতারা এটা মনে করছেন না। বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়, শুল্কের মাধ্যমে এই ব্রিজ থেকে প্রতিবছর আয় হবে ৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

এ জাতীয় আরও খবর

চলতি সপ্তাহে এশিয়ার সবচেয়ে বড় সম্মেলন এসোসিয়েশন অব সাউথ এশিয়ান নেশনসে (আসিয়ান) যোগ দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে গুরুত্ব বেড়েছে পুতিনের। ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে জানায়, সিঙ্গাপুরে এবার আসিয়ানের ৩৩ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ট্রাম্পের পরিবর্তে এতে যোগ দিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। ফলে এশিয়ার বড় দেশগুলোর কাছে পুতিন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। সম্মলেন শেষে তোলা গ্রুপ ফটোতে দেখা গেছে, আয়োজক দেশ সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হাসিয়েন লংয়ের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়েছেন পুতিন। আর অন্যপাশে একজনের পরে দাঁড়িয়েছেন মাইক পেন্স। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রেয়ুথ চান ওচা এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি স্কট মরিসনের মাঝখানে দাঁড়িয়েছিলেন পেন্স। আর এতেই নাকি গুরুত্বের বিষয়টি বোঝা যাচ্ছে বলে দাবি করছে ব্লুমবার্গ। সংবাদমাধ্যমটির দৃষ্টিতে, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে রাশিয়াকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এশিয়ার দেশগুলো। এদিকে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের বারত দিয়ে সিএনবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প আসিয়ানে না আসায় প্রমাণ হয়েছে তিনি এশিয়ার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নন। অবশ্য ট্রাম্প এশিয়ার প্রতি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন কীনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি। অনেকে বলছেন, ট্রাম্পের কাজ মাইক পেন্স করতে পেরেছেন। কিন্তু এটা মানতে নারাজ অন্য একটি পক্ষ।

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইইউ পার্লামেন্টের গভীর উদ্বেগ

খাসোগি হত্যা: সৌদি পাঁচ কর্মকর্তা মৃত্যুদণ্ডের মুখে, যুবরাজ জড়িত নন!

পার্লামেন্টে এমপিদের হাতাহাতি!(ভিডিও)

কিশোর বক্সারের মৃত্যুতে উত্তাল থাইল্যান্ড

মেলানিয়ার সঙ্গে বিবাদ : পদত্যাগ করলেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা

কানাডায় আশ্রয় চাইছে রেকর্ড সংখ্যক মার্কিন নাগরিক!

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চি’র কঠোর সমালোচনায় মাহাথির

ওয়েস্টবেঙ্গল ‘বাংলা’ হতে পারে না, জানাল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার