শুক্রবার, ১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

হেলিকপ্টারে চড়তে বি. চৌধুরীকে বাধা

news-image

হেলিকপ্টারে চড়ে সাতক্ষীরায় জনসভায় যাওয়ার কথা ছিল যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ জোটের শীর্ষ নেতাদের। কিন্তু রাজধানীর শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার ছাড়তে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী।বিকল্পধারায় সদ্য যোগ দেওয়া গোলাম রেজার সমর্থনে সাতক্ষীরায় এ জনসভার আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিযোগ জানিয়ে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।এ ঘটনাকে জাতীয় নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরিতে সরকারের প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ বলে মনে করেন তিনি।বিবৃতিতে বি. চৌধুরী বলেন, সাতক্ষীরার জনসভায় যাওয়ার জন্য যুক্তফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ ও মিডিয়াকর্মীদের জন্য নির্ধারিত হেলিকপ্টার উড়তে দেওয়া হয়নি। আমি এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরায় যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগে জনসভা করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল। বিকল্পধারার প্রেসিডিয়াম সদস্য সাতক্ষীরায় আমাদের সম্ভাব্য প্রার্থী গোলাম রেজা যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগে এ জনসভার বিশাল আয়োজন সম্পন্ন করেছিলেন। যুক্তফ্রন্টের এ জনসভা নিয়ে সাতক্ষীরার মানুষের বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল এবং তারা জনসভা সফল করার জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগে ঢাকার বাইরে মফস্বল অঞ্চলে এটাই ছিল বিশাল গণসংযোগ এবং প্রথম জনসভা। কিন্তু হেলিকপ্টারে আমাদের যেতে দেওয়া হয়নি।

সরকারের সমালোচনা করে প্রাক্তন এই রাষ্ট্রপতি বলেন, কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তফ্রন্টের সংলাপে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আসন্ন নির্বাচনে লেভেল প্লেইং ফিল্ড প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আমাদের দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলন, দেশের যেকোনো জায়গায় বিরোধী দল হিসেবে আমরা গণসংযোগ বা সভা-সমাবেশ করতে পারব। কিন্তু আজকে দুঃখের বিষয়, ঢাকা থেকে আমাদের হেলিকপ্টার উড়তে দেওয়া হয়নি, এজন্য আমরা জনসভায় যোগ দিতে পারিনি।

যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান বলেন, এটা নিশ্চিত- প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার এ জনসভা বন্ধ করার ব্যবস্থা করেছে। আমরা সরকারের এই গণতন্ত্রবিরোধী পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এটা লেভেল প্লেইং ফিল্ড গঠনের প্রতিশ্রিুতির বরখেলাপ।বি. চৌধুরী আরো বলেন, আমরা মনে করি, এই ওয়াদা ভঙ্গ সরকারের সদিচ্ছা বহন করে না। কোনোক্রমেই ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য হবে না এবং এ ধরনের ঘটনা হলে আমরা নিশ্চিতভাবে বিকল্প পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।