বুধবার, ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ (সরাসরি)

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : মিরপুর টেস্টে ৩৬৭ রানে পিছিয়ে জিম্বাবুয়ে শেষ দিন ব্যাটিংয়ে নেমেছে জিম্বাবুয়ে। হাতে পুরো একটি দিন। বাংলাদেশের প্রয়োজন সফরকারীদের সব উইকেট। অন্যদিকে দিনের শেষ বল পর্যন্ত ব্যাটিং চালিয়ে যেতে পারলেই সিরিজ জিতে যাবে জিম্বাবুয়ের।

এরমধ্যে চতুর্থদিন শেষ বিকেলে কিছুটা কাজ এগিয়ে রেখেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। উইকেটে জেঁকে বসা সফরকারীদের দুই ওপেনার হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ব্রায়ান চারিকে ফিরিয়ে দিয়েছেন তারা। পঞ্চম দিন ব্যাটিংয়ে নামা শন উইলিয়ামসকে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজ। দলীয় ৯৯ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। বোল্ড হওয়ার আগে উইলিয়ামস করেন ১৩ রান।

এরপর জিম্বাবুয়ে শিবিরে আঘাত হানেন তাইজুল, নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে ফিরিয়ে দেন সিকান্দার রাজাকে (১২)। ২৮২ রানে পিছিয়ে থেকে লাঞ্চ বিরতি থেকে এসে ক্রিজে জেঁকে বসেছিল মুর-টেইলর জুটি। ৬৬ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন প্রথম ইনিংসে ১৩৯ রানের জুটি করা এই দুই ব্যাটসম্যান। কিন্তু দলীয় ১৮৬ রানে মিরাজের বলে ইমরুল কায়েসের ক্যাচ হয়ে ফেরেন পিটার মুর। এরপর চিকাভা ও ত্রিপানোকে ফিরিয়ে জয়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। এখন বাংলাদেশের জয়ের জন্য শুধু সময়ের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭৪ ওভারে ৭ উইকেটে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ২০১ রান।

বুধবার ৪৪০ রানের লিড নিয়ে নিজের দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এদিন শুরুর ঘণ্টায় ৪ উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খেলেও মাহমুদউল্লাহ ও মোহাম্মদ মিঠুনের দৃঢ়তায় বড় রানে ভিত্তি পায় বাংলাদেশ।

পঞ্চম উইকেট জুটিতে অধিনায়কের সাথে ১১৮ রানের জুটি গড়ে আউট হন মিঠুন। ১১০ বল খেলে ৬৭ রান করেছেন তিনি। তার আউটের পর অবশ্য দ্রুতই ফিরে যান আরিফুল হক। আগের ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করা মিরাজ এ ইনিংসে যোগ্য সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহর। অবিচ্ছিন্ন এই জুটিতে আসে ৭৩ রান।

এদিন দলের বিপর্যয়ে রুখে দাঁড়ানো মাহমুদউল্লাহ টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি তুলে নেন। লড়াকু এই ইনিংসটি খেলেছেন তিনি ১২২ বলে। মেরেছেন ৪টি চার ও ২টি ছক্কা। সেঞ্চুরি করেই ইনিংস ঘোষণা দেন তিনি। বাংলাদেশের স্কোর তখন ৬ উইকেটে ২২৪ রান। মিরাজ অপরপ্রান্তে অপরাজিত ছিলেন ২৭ রানে।

এরপর ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার শেষ বিকেলে পাল্টা লড়াইয়ের ইঙ্গিতই দিচ্ছিলেন। তবে মাসাকাদজাকে আউট করে সেই জুটি ভাঙেন মিরাজ। ব্যক্তিগত ২৫ রানে মিরাজের বলে মুমিনুল হককে ক্যাচ দিয়ে মাঠ ছাড়েন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। অন্যপ্রান্তে চারিও দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ৪৩ রানের মাথায় তাইজুলের এলবিডাব্লুর ফাঁদে পড়েন তিনি।