রবিবার, ২০শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৫ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

মুমিনুলের সেঞ্চুরি, বাংলাদেশের ড্র

52f6011f256e9-Mominulড্র নাকি আরেকটি পরাজয়—এমন সমীকরণ সামনে নিয়েই চট্টগ্রাম টেস্টের পঞ্চম দিন ব্যাট করতে নেমেছিল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে ৪৬৭ বা শেষ দিনে ৪৫৫ রান করা মাস্ক-অক্সিজেন ছাড়া হিমালয়ের চূড়ায় ওঠার মতোই অসম্ভব। ফলে প্রত্যাশার পারদ ড্রতেই সীমাবদ্ধ ছিল বাংলাদেশের। মুশফিকুর রহিমের দল তা করতে পেরেছেও। ৮৪.৪ ওভারে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ২৭১ তুলতেই অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস মেনে নেন, এ ম্যাচের ভাগ্যে ড্র-ই লেখা আছে।



এই চট্টগ্রামে গত অক্টোবরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন মুমিনুল হক। প্রথম ইনিংসে খেলেছিলেন ১৮১ রানের কাব্যিক এক ইনিংস। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিরপুর টেস্টেও পেয়েছিলেন অর্ধশতক। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের প্রতিচ্ছবি মুমিনুল চট্টগ্রামে ছুঁলেন তৃতীয় টেস্ট শতক। সাত টেস্টে এটি মুমিনুলের তৃতীয় সেঞ্চুরি।



শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪৬৭ রান তাড়া করে জয়ের কথা ভাবননি কেউই। প্রথম টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর দ্বিতীয় টেস্টে ড্র জয়েরই সমান। শুরুটাও ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। উদ্বোধনী জুটিতে ৭১ রান যোগ করেছিলেন তামিম ইকবাল ও শামসুর রহমান। কিন্তু ভালো শুরুর রেশটা খুব বেশি দূর টেনে নিতে পারেননি দুই ওপেনার। মধ্যাহ্ন বিরতির আগে দুজনই ফিরেছেন সাজঘরে। তৃতীয় উইকেটে ৭০ রানের জুটি গড়ে আবারও লড়াই শুরু করেছিলেন ইমরুল কায়েস ও মুমিনুল। কিন্তু চা-বিরতির পরের ওভারেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল।



সকালে যেন তামিম প্রতিজ্ঞা করেই নেমেছিলেন ব্যর্থতার অন্ধ কুঠুরি থেকে নিজেচতে বের করে আনবেন। সে মোতাবেক ভালোই ব্যাট চালাচ্ছিলেন তিনি। ধৈর্যের প্রতিমূর্তি হয়ে আঁকড়ে ছিলেন উইকেট। বাজে বলগুলিকেও দিয়ে যাচ্ছিলের উপযুক্ত জবাব। কিথুরুয়ান ভিথানাগের শিকারে পরিণত হওয়ার আগে তামিম ৩১ রানের ইনিংসটা খেলেছিলেন ১০২ বল খেলে। কয়েক ওভার পরে পেরেরার বলে প্রায় একই রকমভাবে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন শামসুর। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৪৫ রান।



তামিম-শামসুর খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ফিরে গেলে শঙ্কা ঘনীভূত হয় বাংলাদেশ শিবিরে। তবে মুমিনুল ও প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান ইমরুল কায়েস সেই শঙ্কা মোটামুটি দূর করেন ৭০ রানের এক জুটি গড়ে। সবচেয়ে বড় কথা এই জুটি মধ্যাহ্ন বিরতির পরের সেশনটি পার করে দেন লঙ্কান বোলারদের নিজেদের ওপর চেপে বসার সুযোগটা না দিয়েই। ইমরুল ব্যক্তিগত ২৫ রানে এলবির শিকার হন দিলরুয়ান পেরেরার বলে।



এরপরই উইকেটে দাঁড়িয়ে যান মুমিনুল ও সাকিব আল হাসান। এ দুজনের চতুর্থ উইকেট জুটিতে আসে অপরাজিত ১২০ রান। ৮৪.৪ ওভারে মমিনুল শতক ছোঁয়া মাত্র ড্র মেনে নেন ম্যাথুস । ফলে দিনের ১৪ ওভার খেলা বাকি থাকতেই শেষ চট্টগ্রাম টেস্ট। মুমিনুল অপরাজিত থাকেন ১০০ রানে ও আর সাকিব ৪৩-এ।  চট্টগ্রাম টেস্ট ড্র হলেও বাংলাদেশ সিরিজ হেরেছে ১-০ ব্যবধানে। মহাকাব্যিক দুটি ইনিংস খেলায় ম্যাচ সেরা কুমার সাঙ্গাকারা। সিরিজ সেরাও তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

র‍্যাবের অভিযানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইয়াবা ও ফেন্সিডিলসহ আটক ৩

ভোলায় নিহতের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে অ্যালকোহল ডিটেক্টর চালু

রংপুর জেলা পরিষদ সিটি সেন্টার পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি

১৭ বছর পর গঠিত কমিটি বাতিল করলেন জাপা’র চেয়ারম্যান

নির্দোষ কাউন্সিলরদের কোনোভাবেই হয়রানি না করার অনুরোধ মেয়র খোকনের

বোরহানউদ্দিনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ৪, গুলিবিদ্ধ ৯

১০ টাকার চাল বিতরণে ১৯ ধরনের অনিয়ম, রংপুরের শানেরহাট ইউপিতে খাদ্যবান্ধব  কর্মসূচির নামে নজিরবিহীন দুর্নীতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ছক্কা মেরে রোহিত শর্মার ডাবল সেঞ্চুরি

ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

পাল্টাপাল্টি হামলায় ভারতের ৯ ও পাকিস্তানের ৭ জন নিহত