বৃহস্পতিবার, ২৩শে মে, ২০১৯ ইং ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নেতৃত্ব হারাচ্ছেন খালেদা-তারেক

news-image

বিএনপির গঠনতন্ত্রে আনা সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের এক আদেশের ফলে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত খালেদা জিয়া ও তার ছেলে তারেক রহমান বিএনপির নেতৃত্ব হারাচ্ছেন। নয় মাস আগে আনা ওই সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে মোজাম্মেল হোসেন নামে এক ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেন। ওই আবেদন এক মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর ওই আবেদন নিষ্পত্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র গ্রহণ না করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিএনপির গণতন্ত্রের সংশোধিত ৭ ধারা চ্যালেঞ্জ করে মোজাম্মেল হোসেনের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাই কোর্ট বেঞ্চ রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন এই আদেশ দেয়।

আদালতের এই আদেশের ফলে ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলীয় নেতৃত্বে রাখা এবং নির্বাচনে তাদের দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ আটকে গেল।
আদালতে রিটকারী পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মমতাজ উদ্দিন মেহেদী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি।

আদেশের পর মাসুদ রুমি বলেন, দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিদের দলীয় কমিটিতে না রাখার যে বিধান বিএনপির গঠনতন্ত্রে ছিল, সংশোধনীতে তা বাদ দেওয়া কেন বেআইনি হবে না এবং সংবিধানের ৬৬ (২) ঘ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি হবে না- রুলে তা জানতে চেয়েছে আদালত।
চার সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সংশোধনের আগে বিএনপির গঠনতন্ত্রের সপ্তম ধারা

প্রসঙ্গত, বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, দুর্নীতি পরায়ণ ব্যক্তি বিএনপির কোনো পর্যায়ের কমিটির সদস্য কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে ‘অযোগ্য’ বিবেচিত হবেন।
কিন্তু গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার একটি আদালত। সেই সঙ্গে তার ছেলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ পাঁচ আসামিকে দেওয়া হয় ১০ বছর করে কারাদণ্ড। ফলে দলের শীর্ষ দুই নেতার পদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।
কিন্তু সেই বিপদ এড়াতে রায় ঘোষণার মাত্র এক সপ্তাহ আগে গত ২৮ জানুয়ারি বিএনপির সংশোধিত গঠনতন্ত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়। যদিও সেখানে বলা হয়, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির কাউন্সিলে এসব সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।


ইসিতে পাঠানো গঠনতন্ত্র সংশোধনের নথি

আট পৃষ্ঠার ওই সংশোধনী প্রস্তাবের বিষয়ে দলীয় চেয়ারপারসন ও কাউন্সিল অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে খালেদা জিয়া ইসিতে পাঠানো চিঠিতে লিখেন, “উপরোক্ত সংশোধনীগুলো কাউন্সিলের অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হলে কাউন্সিল সর্বসম্মতিক্রমে তা অনুমোদন করে। একই সঙ্গে কাউন্সিলের গৃহীত সংশোধনী অনুযায়ী অনুচ্ছেদ ও উপ-অনুচ্ছেদগুলোর ক্রমিকের অনিবার্য পরিবর্তন, ভাষা ও ছাপার ভুলগুলো সংশোধন করার প্রস্তাবও কাউন্সিলের অনুমোদিত হয়।”
সূত্র: বিডি-জার্নাল

এ জাতীয় আরও খবর

বিমান ছিনতাই চেষ্টা মামলা, সিমলায় আটকে আছে তদন্ত!

ভারতে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা, কে বসবেন মসনদে

৪৫ সেকেন্ডের ভিডিও’য় নেট দুনিয়ায় ঝড় তুলেছেন ‘হর্স ওম্যান’

২০ লাখ টাকার মালামাল এবং পরকীয়া প্রেমিকসহ প্রবাসীর স্ত্রী আটক

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরামর্শ করে বাজেট তৈরি করুন : এনবিআরকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আইরিশ বিউটি কুইন প্রিয়তি ধর্ষণ চেষ্টা, তদন্তে ইন্টারপোল!

নারীরা কীভাবে তারাবির নামাজ আদায় করবে

পুরুষ থেকে নারী হতে এক বাংলাদেশির অস্ত্রোপচার গুজরাটে

নেতাকর্মীদের চাঙ্গা থাকাতে রাহুল প্রিয়াঙ্কার বার্তা

মাঝরাতে দেবে গেছে মাতামুহুরী সেতু, অসংখ্য যানবাহন আটকা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় ছাত্রলীগ নেতা নিহত

সরকারের উন্নয়ন ধারাকে গতিশীল করতে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া চাই : লায়ন ফিরোজুর রহমান ওলিও