সোমবার, ১৭ই জুন, ২০১৯ ইং ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সারা দেশে নিয়োগ পাবেন ৩৯ হাজার শিক্ষক

news-image

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্য পদে ৩৯ হাজার ৫৩৫ জন শিক্ষক নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছে। নিবন্ধন সনদধারী ৩৫ বছর বা তার কম বয়সী হলে এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সময়সীমা ২ জানুয়ারি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন পাঠান সোহাগ

সারা দেশে প্রায় ১৯ হাজার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাড়ে তিন হাজার কলেজ ও সাড়ে ৯ হাজার মাদরাসা আছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) করা জাতীয় মেধাতালিকা থেকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। ২০০৫ সালে প্রথম নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়। এর মধ্যে ১৪টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা হয়েছে। এতে সর্বমোট ছয় লাখ ২৪ হাজার ৫৮৪ জন চাকরিপ্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সদস্য (যুগ্ম সচিব) মো. হুমায়ুন কবীর জানান, জাতীয় মেধাতালিকায় প্রথম থেকে সর্বশেষ নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সবারই নাম আছে। প্রাপ্ত নম্বরের ক্রমানুসারে প্রতিবছর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তথ্য হালনাগাদ করা হয়। তালিকাটি এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে (http://ngi.teletalk.com.bd/ntrca/merit) পাওয়া যাবে।

সম্প্রতি সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। এই মেধাতালিকা থেকে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। যোগ্যতা ও বয়স থাকা সাপেক্ষে আবেদন করা যাবে।

বিষয়ভিত্তিক শূন্য পদ
এনটিআরসিএর হেল্প পডক্স থেকে জানা গেছে, বিষয়ভিত্তিক শূন্য পদের সংখ্যা নিজ জেলা শিক্ষা অফিসে আছে। চাকরি প্রার্থীরা সেখান থেকে জানতে পারবেন। পাওয়া যাবে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটের http://ngi.teletalk.com.bd/ntrca/app/requisition-list.php লিংকেও। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) এস এম আশফাক হুসেন জানান, শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুসারে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষ শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। পৌর এলাকায় ৩০ শতাংশ ও বিভাগীয় শহরে ৪০ শতাংশ নারী কোটা পূরণ করা হবে।

কারা আবেদন করতে পারবেন
এনটিআরসিএ নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রার্থী আবেদন করেতে পারবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের জারীকৃত সর্বশেষ জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮-এ উল্লিখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুসরণ করা হবে। প্রার্থীর বয়স ১২ জুন ২০১৮ তারিখে ৩৫ বছর বা তার কম হতে হবে। দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা) শূন্য পদের চাহিদার (e-Requisition) একটি সমন্বিত তালিকা ওয়েবসাইটে (http://www.ntrca.gov.bd, http://ngi.teletalk.com.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। শূন্য পদের তালিকা দেখে আবেদন করতে হবে। নিয়োগের জন্য পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকা থেকে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

আবেদন অনলাইনে
ই-আবেদন ফরম http://ngi.teletalk.com.bd/ntrca/app/app-home.php লিংকে পাওয়া যাবে। আবেদন ফরমটি সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করতে হবে। ফরম পূরণ শেষে সাবমিট করা হলে তা সংশোধন করা যাবে না। ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে তা প্রমাণিত হলে আবেদনপত্র বাতিল করা হবে। যিনি যে যে বিষয়ে নিবন্ধন সনদধারী তিনি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত তাঁর সংশ্লিষ্ট বিষয় বা বিষয়গুলোর বিপরীতে তালিকায় বর্ণিত সব প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। এক ব্যক্তি একাধিক প্রতিষ্ঠানে ও একাধিক পদে আবেদন করলে পছন্দের ক্রম উল্লেখ করে দিতে হবে। পছন্দের ক্রমানুসারে ও মেধাক্রম অনুসারে একটি পদের বিপরীতে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হবে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীরাও আবেদন করতে পারবেন। নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শরীরচর্চা শিক্ষক পদের জন্য শুধু মহিলা প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। সব নিয়ম-কানুন http://ngi.teletalk.com.bd/ntrca/app/misc/e-application-instruction.pdf লিংকে পাওয়া যাবে। প্রতিটি আবেদনের জন্য নির্ধারিত ফি ১৮০ টাকা। অনলাইনে আবেদন করার পর এনটিআরসিএ একটি এসএমএস পাঠাবে। আবেদনের প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করতে হবে।

চূড়ান্ত নির্বাচন
প্রাপ্ত আবেদনপত্র থেকে সমন্বিত জাতীয় মেধাতালিকার মেধাক্রমের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হবে। নির্বাচিত প্রার্থীকে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। এস এম আশফাক হুসেন জানান, চাকরি প্রার্থী যে প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাবেন, সেই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হবে। যদি কোনো প্রার্থী প্রতিষ্ঠান বদল করতে চান, তাহলে পরের বছর ওই প্রতিষ্ঠানের শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে। অন্য কোনো জেলায় নিয়োগ পেয়ে পরবর্তী সময়ে নিজ জেলার কোনো প্রতিষ্ঠানে বদলি হয়ে আসার সুযোগ নেই।

বেতন-ভাতা
নতুন স্কেলে এমপিওভুক্ত কলেজের একজন প্রভাষকের নবম গ্রেডে মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। বেসরকারি হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষকের মূল বেতন হবে দশম গ্রেডে ১৬ হাজার টাকা। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চিকিত্সা ভাতা ৫০০ টাকা ও বাড়িভাড়া মাসিক এক হাজার টাকা। রয়েছে উত্সব ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। এস এম আশফাক হুসেন জানান, নন-এমপিও স্কুল-কলেজ, মাদরাসার প্রভাষক ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রতিষ্ঠান বহন করবে।

এ জাতীয় আরও খবর

সরফরাজরা মাশুল দিলেন ইমরান খানের পরামর্শ না শোনার!

চাকরির লোভ দেখিয়ে কিশোরীকে দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর দেহব্যবসা

আমরা এই সংসদকে স্বীকৃতি দেই না, এটা অবৈধ সংসদ : ফখরুল

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে ‘অন্ধকারে’ আর্জেন্টিনা!

৫শ’ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে পুলিশের এসআই ক্লোজড

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সহজ জয়ের কথা ভাবছে না টাইগাররা

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে কলেজ ছাত্রীর ২ দিন ধরে অনশন

একাদশে মিঠুনের যায়গায় সুযোগ পাচ্ছেন যিনি

যে পাঁচটি গাছ বিশুদ্ধ করবে ঘরের বাতাস!

প্রতিদিন সকালে ১টি মাত্র এলাচে আপনার অনেক মুশকিল আসান হবে

ওষুধ সেবনের সময় ভুলেও খাবেন না এই খাবারগুলো!

নতুন চুল গজাতে পেয়ারা পাতার জাদুকরী গুণ