রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে সরকারী জায়গা দখলের অভিযোগ নিয়ে উত্তেজনা

news-image

মো: সাদেকুর রহমান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউল হক বকুল তার বিরুদ্ধে ২৭ একর সরকারী খাস জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এতে তিনি বলেছেন-২৭ একর নয় এক শতাংশ বা এক পয়েন্ট সরকারী জমিও তার দখলে নেই। তিনি এবিষয়টি তদন্ত করে দেখারও দাবী জানান। ইউনিয়নের উন্নয়নে ঈর্ষান্বিত হয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো: আক্তার হোসেন তাকে হেয় করার জন্যেই এই মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন। আক্তার হোসেন ২রা মে বিজয়নগরে মানববন্ধন করে বর্তমান চেয়ারম্যান জিয়াউল হক বকুলের বিরুদ্ধে ২৭ একর সরকারী খাস জমি দখলের অভিযোগ আনেন এবং সেই সম্পদ উদ্ধারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি দেন। এরপরই গতকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ওই অভিযোগের জবাব দেন জিয়াউল হক বকুল। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন-২০১৬ সালের ৭ইমে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেয়ার পর এলাকার সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর মাধ্যমে এই ৩ বছরে রাস্তা-ঘাট,ব্রীজ-কালভার্ট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করেছেন। এলাকার শতভাগ বিদুৎতায়নকরা ছাড়াও দাঙ্গা-ফ্যাসাদ নিয়ন্ত্রনে কাজ করছেন। ইউনিয়নের মানুষ সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে থাকার মধ্যে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন গত কয়েক মাস ধরে গ্রামে এবং ইউনিয়নে ঝগড়া-বিবাদ সৃষ্টি করার পায়তারা করছেন বলে অভিযোগ করেন বকুল। বলেন তাকে এবং তার পরিবারের লোকজনকেও প্রাননাশের হুমকী দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা সঞ্জয় বিশ্বাসকেও হাত-পা ভেঙ্গে ফেলার হুমকী দিয়েছে তারা। বকুল আরো অভিযোগ করেন সাবেক চেয়ারম্যান আক্তার হোসেনের ভাই মোশারফ হোসেনের সহযোগিতায় তাদের ভাতিজা রিয়াদুল হোসেন সবুজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী বিভিন্ন লেখা এবং তার বিরুদ্ধে মানহানিকর পোষ্ট দিচ্ছেন। এদিকে এবিষয়টি নিয়ে ওই ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।