শুক্রবার, ২৩শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ৮ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

ইউপি চেয়ারম্যানের জন্য রাস্তায় হাজারো মানুষ

news-image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুল আহাদের বিরুদ্ধে ‘ষড়ন্ত্রমূলক’ হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চাতলপাড় ডিগ্রি কলেজের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি পালিত হয়। সড়কের দুই পাশে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই মানববন্ধনে চাতলপাড় ইউনিয়নের ১৯টি গ্রামের নানা শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন।

নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহ্ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বিনয় রায়, স্থানীয় তাবারক মিয়া ও জিল্লুর রহমান প্রমূখ।

এ সময় তারা বলেন, চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ নির্দোষ। ঘটনার সময় তিনি ওমরাহ্ হজ করতে যাওয়ায় জন্য এলাকাতেই ছিলেন না। তার জনপ্রিয়তায় প্রতিপক্ষ তাকে হত্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন। অবিলম্বে এ মামলা প্রত্যাহার না করলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২ এপ্রিল চাতলপাড় ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সায়েরা বেগম (১৫) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে ওই গ্রামের মৃত নুরু মিয়ার মেয়ে ও রতনপুর দাখিল মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় সায়েরার মা মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আহাদ মামলার ১০ নম্বর আসামি।

মামলার এজহারে আহাদ ও তার সহযোগীরা সায়েরাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আহাদ সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার সময় তিনি ওমরাহ্ হজে গিয়েছিলেন। রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার জন্য তার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে নাসিরনগর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) কবির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এলাকার মানুষ বলছে মেয়েটিকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় দেখেছে। আমাদের তদন্ত কাজ চলছে। তদন্ত শেষে বলা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।