বুধবার, ২৬শে জুন, ২০১৯ ইং ১২ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সমুদ্রে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ

news-image

বরগুনা প্রতিনিধি : মৎস্য সম্পদ সুরক্ষায় বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সে হিসেবে সোমবার (২০ মে) থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। শেষ হবে ২৩ জুলাই। ইলিশের জাটকা নিধনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর সফল হওয়ায় এই পথে এগুচ্ছে সরকার।

প্রজ্ঞাপনটিতে ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরের মাছ আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে প্রশাসনের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। এই সময় বঙ্গোপসাগরের কোনো স্থানেই যান্ত্রিক এমনকি ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকা দিয়েও মাছ আহরণ করা যাবে না। বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধের কারণে যাতে জেলেরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেদিকেও নজর দিচ্ছে সরকার। ক্ষতিগ্রস্ত জেলে পরিবারকে ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হবে। যে কার্ডের মাধ্যমে তারা সরকারের কাছ থেকে রেশনিং সুবিধা পাবেন।

জানা গেছে, বরগুনা জেলা মৎস্য অফিসের তৈরি করা তালিকায় বর্তমানে নিবন্ধিত জেলে রয়েছে ৪৪ হাজার ৪শ ৪০ জন। যাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জেলে আছে পাথরঘাটা উপজেলায়। পাথরঘাটায় নিবন্ধিত জেলে আছে ১৪ হাজার। এসব জেলেরা রেশনিংয়ের আওতায় আসবে। তবে পাথরঘাটা উপজেলায় জেলের সংখ্যা হবে ২০ হাজার।

সাগরে ইলিশ ধরতে যাওয়া উপজেলার প্রায় সব এলাকার জেলেদের ট্রলার ঘাটে অবস্থান করেছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র (বিএফডিসি) বরগুনার পাথরঘাটায় দেখা এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কিছু জেলেরা সাগরে থাকলে তারাও সাগর থেকে ঘাটের উদ্দেশ্যে ফিরছেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলেদের সঙ্গে কথা বললে তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবছর বছর ইলিশের প্রজনন মৌসুমে ইলিশ শিকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এ বছর ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় উপজেলার ২০ হাজার জেলেদের না খেয়ে জীবনযাপন করতে হবে বলে এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

বাংলাদেশ ফিসিং বোর্ড মালিক সমিতির সভাপতি চৌধুরি গোলাম মোস্তফা বলেন, ইলিশের মৌসুম থাকে ১৫০ দিন তার মধ্যে আশ্বিনে বন্ধ থাকে ২২ দিন। এবার যদি বন্ধ থাকে ৬৫ দিন তাহলে মোট বন্ধ থাকে ৮৭ দিন। এতো বন্ধ থাকলে জেলে পরিবারগুলোকে মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে। জেলায় আনুমানিক ৫৫ হাজার জেলে রয়েছে কিন্ত নিবন্ধন আছে প্রায় ৪৫ হাজার। তার দাবি, ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকলে বাকি জেলেরা খাবে কি?

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমাদের পার্শবর্তী কয়েকটি দেশেও সাগরের মৎস্য আহরণের ওপর এই ধরনের আইন রয়েছে। এর আগে জাটকা নিধনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় ইলিশের প্রজনন হার বেড়েছে। এই অভিযানেও অবশ্যই সফলতা আসবে। এই দীর্ঘ সময়ে মানুষ কিভাবে সাগরের মাছ খাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাগরের মাছে যে পুষ্টিগুণ রয়েছে, নদী এবং পুকুরের মাছের পুষ্টিগুণও প্রায় একই। তাছাড়া বাংলাদেশের মাত্র দুই ভাগ মানুষ সাগরের মাছ খাওয়ার সুযোগ পান। ফলে এই নিষেধাজ্ঞা দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে কোনো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ফেলবে না। বরং এর সফলতায় তারাই উপকৃত হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

আবাসিক হোটেলে মিললো দুই বস্তা কনডম

নড়বড়ে রেলপথ ‘সুতা’ দিয়ে বাধা!

শিশুদের জন্য স্কুল খুললেন সানি লিওন

১১তম গ্রেড পাচ্ছেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা

ঋণের ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাত করার জন্যই খুন করে প্রেমিকা

প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাই হয়েও টিন-প্লাস্টিক ভাঙা বিক্রি করে পরিবার চালান!

সাকিব ক্রিকেটের রোল মডেল: লক্ষ্মণ

টিএসসি কক্ষে গভীর রাতে প্রেমিক যুগল আটক: বললেন- ঘুমাচ্ছিলেন

দেশে মোটরসাইকেল শিল্পে কর্মসংস্থান হবে ১৫ লাখ বেকারের

ভারতকে ভয় পেয়ে লাভ আছে? খেলতে হবে, জিততে হবে: মাশরাফি

২ শতাধিক চাকরি দেবে পানি উন্নয়ন বাের্ড, বেতন ২৩,৪৯০ টাকা

প্রকাশ্যে ইভটিজারকে জুতাপেটা স্কুলছাত্রীর