মঙ্গলবার, ২৩শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৮ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগে ঘুষের ৭২ লাখ টাকা উদ্ধার

news-image

মাদারীপুরে পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য কোটি টাকা ঘুষ লেনদেরে অভিযোগ উঠেছে জেলা পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তার বিশ্বস্ত ৪ পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে ৯০ জনের কাছ থেকে ঘুষের টাকা নেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটি উদ্ধার করেছে ৭২ লক্ষ টাকা। যা জিডি মূলে রক্ষিত আছে মদারীপুর সদর থানার ভল্টে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত ডিআইজি সালেহ মোহাম্মদ তানভীর ঘুষ নেয়ার প্রাথমিক তথ্য পেয়েছেন বলে জানা গেছে। এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানাজানি হলে জেলার সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের নেতারা পুলিশ সুপারকে জেলা থেকে অপসারণ করে তদন্তের দাবী জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুন মাদারীপুর জেলা থেকে ৫৪ জন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের জন্যে শারীরিক পরীক্ষা নেয়া হয়। সেখান থেকে উত্তীর্ণদের ২৩ জুন সরকারী নাজিমউদ্দিন কলেজে একটি কক্ষে লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয়। পরের দিন বিকেল ৫টার মধ্যে ফলাফল দেয়ার কথা থাকলেও রাত ১০টার দিকে ফলাফল জানানো হয়।

২৪ জুন পুলিশ হেডকোর্য়ার্টার থেকে অপরাধীদের ধরার জন্য বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদারের দেহরক্ষী পুলিশ সদস্য নুরুজ্জামান সুমনকে ঘুষ গ্রহণের নগদ টাকাসহ আটক করে।

এছাড়াও পুলিশ সদস্য ও পুলিশ লাইন্সের ম্যাস ম্যানেজার জাহিদ হোসেন, টিএসআই গোলাম রহমান এবং পুলিশ হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী পিয়াস বালার কাছ থেকেও ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে নুরুজ্জামান সুমন ও জাহিদ হোসেনকে পুলিশ হেডকোয়াটারে নজরদারীতে রাখা হয়।

টিএসআই গোলাম রহমান এবং পুলিশ হাসপাতালের স্বাস্থ্য সহকারী পিয়াস বালাকে মাদারীপুর জেলা থেকে অন্যত্র শাস্তিমূলক বদলী করা হয়েছে। ঘটনাটি গত সোমবার রাতে হলেও বিষয়টি ধামাচাপা দেয়া চেষ্টা করে জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। সব ধরনের তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানায় পুলিশ কর্তৃপক্ষ। পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের চাপে পুলিশ সুপার বিষয়টি স্বীকার করে।

মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ বলেন, ঘুষ কেলেঙ্কারীর এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিষয় সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিচার হওয়া উচিত। বিচার না হলে দুর্ণীতি আরো বাড়বে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া এন্ড পিআর) সোহেল রানা জানান, ‘মাদারীপুরের একাধিক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ হিসেবে কাউকে ছাড় দেয়া হয়নি। মাদারীপুরেও যেসব পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তাদের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা সুস্থ এবং নির্ভেজাল নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যা যা করা দরকার পুলিশ হেডকোয়াটার তা করেছে। যে সকল জেলা থেকেই আমরা খবর পেয়েছি সেখানেই আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।’

এ দিকে মাদারীপুর পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার তার দেহরক্ষীকে টাকাসহ আটকের বিষয় তিনি বলেন, যার যার অপরাধের দায়ভার তারই।’ সূত্রঃ নয়া দিগন্ত

এ জাতীয় আরও খবর

তিন মাথা নিয়ে বেঁচে আছে সেই শিশু, অবাক চিকিৎসকরা

ছেলেধরা সন্দেহে গণপি’টুনি, পরে জানা গেল ছিঁচকে চোর

বিয়ের আসরে হঠাৎ হাজির ট্রাম্প, চুম্বন করলেন কনেকে

মিঠুন-মুশফিক ঝড়ে বড় জয় বাংলাদেশের

এরশাদের শূন্য আসন ধরে রাখা অস্তিত্বের লড়াই : যোগ্য প্রার্থীর সন্ধানে জাতীয় পার্টি

রংপুর মহানগর যুবলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

রংপুরে ট্রাক চাপায় গণপাঠাগারের কর্মী নিহত

লিভারের ক্ষতি করে যেসব অভ্যাস

১৩৩টি গ্রামে তিন মাসে একটিও কন্যাসন্তান জন্মায়নি!

শৈলকুপায় সেচখালে ঘন জঙ্গল পাড়ের মাটি কেটে রাস্তা নির্মান

চাঁদের পর এবার সূর্যে যাবে ভারত!