বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

শিশু শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী বই পড়া প্রতিযোগিতা

news-image

কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রান্তিক শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাসে মনোযোগী করে গড়ে তোলা হলেই তাদের মাঝে তৈরি হবে সৃজনশীলতা, মানবিক মুল্যবোধ, সামাজিক শিষ্ঠাচার, বাড়বে মেধার বিকাশ। আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যাশায় ব্যতিক্রমি এ উদ্যোগ গ্রহন করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আভাস। এরই ধরবাহিকতায় আার্ন্তজাতিক উন্নয়ন সংস্থা একশন এইড’র আর্থিক সহায়তায় কলাপড়ার লালুয়া, ডাবলুগঞ্জ ও চম্পাপুর ইউনিয়নের সাতটি বিদ্যালয়ে তৈরি করেছে চাইল্ড বুক কর্নার। বিদ্যালয়ের পাঠ শেষে শিশুতোষ প্রায় আড়াই’শ বইয়ের এ চাইল্ড বুক কর্নারে এখন বাড়তি সময় কাটায় এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের মাঝে এ পাঠ্যাভ্যাস ধরে রাখতে প্রতি দু’মাস পর পর প্রতিটি বিদ্যালয়ে আয়োজন করা হয় বই পড়ার প্রতিযোগিতার। প্রতিটি বিদ্যালয়ের বিজয়ী আটজন শিক্ষার্থীকে করা হয় পুরুস্কৃত। ব্যতিক্রমী এমন আয়োজনে খুশী শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অবিভাবকসহ জনপ্রতিনিধি।

উপজেলার মধ্য পাটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী লামিয়া বলেন, ক্লাস শেষে চাইল্ড বুব কর্নারে গিয়ে বই পড়ি। খুবই ভাল লাগে। নতুন নতুন বই। আলাদা গন্ধ। অন্য রকম স্বাদ। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক বলেন, চাইল্ড বুক কর্নার প্রতিষ্ঠার পর শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই এখন সেখানেই সময় কাটায়।

মধ্য পাটুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও অবিভাবক কামাল হোসেন মৃধা বলেন, বর্তমানে সমাজিক অবক্ষয়ের এ সময়ে নি:সন্দেহে এটি একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। শিশুরা যদি নিজেদের পাঠে মনোনিবেশ করে তবে সমাজের অনেক পংঙ্কিলতা থেকে তারা নিজেকে দুরে সরিয়ে রাখতে পারবে।

আভাসের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম বলেন, শিশুতোষ নানা বিভাগের সেরা লেখকদের বইয়ের মাধ্যমে প্রথমিক পর্যায়ে চাইল্ড বুক কর্নার সাজানো হয়েছে। প্রতিমাস দু’মাস পর পর নতুন বইয়ের মাধ্যমে প্রতিটি চ্ইাল্ড কর্নার আরো সমৃদ্ধ করা হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা পাঠ আগ্রহ হারিয়ে না ফেলে।