বৃহস্পতিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৯ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

‘রুমিন ফারহানার চোখে নি*হত রিফাত সৌভাগ্যবান’

news-image

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, রিফাত (রিফাত শরীফ) সৌভাগ্যবান, তার হ*ত্যার ভিডিও ফেসবুকে এসেছে। গত এক মাসে ২২ জন কু*পিয়ে হ*ত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তাদের খু*নিদের ধরতে পুলিশের তেমন কোনো তৎপরতা দেখি না। রোববার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধিতে জরুরি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংসদের সভাপতিত্বে ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

দেশে অনেক হ*ত্যাকাণ্ড ঘটলেও তার বিচার হয় না দাবি করে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, জনগণের ম্যান্ডেটবিহীন ক্ষমতায় থাকার ফলস্বরূপ পুলিশকে পুরোপুরি দলীয়করণ করেছে সরকার। এদের যাবতীয় মুরদ দেখা যায় বিরোধীদলীয় কর্মীদের বিনা বিচারে হ*ত্যা, গ্রে*ফতার, নি*র্যাতন আর কারাগারে প্রেরণের মধ্য দিয়ে।

রুমিন বলেন, দেশের কোথাও হ*ত্যাকাণ্ড হলেই শুনতে পাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাই। প্রধানমন্ত্রী তো নির্বাহী বিভাগের প্রধান। বিচার করবার জন্য তো আছে আইন, আদালত, বিচার বিভাগ। আর বিচার চাইতেইবা হবে কেন? যদি পুলিশ, প্রশাসন, আদালত তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে তাহলে তো বিচার চাওয়ার কোনো প্রশ্ন ওঠে না।

তিনি বলেন, বরগুনার রিফাত হ*ত্যাকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাঞ্চল্য সৃষ্টির পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খু*নিদের ধরার নির্দেশ দিয়েছেন। অথচ অ*পরাধী ধরবার কথা পুলিশের এবং এটা তাদের রুটিন কাজ। এ জন্য তারা জনগণের টাকায় বেতন পেয়ে থাকে। রিফাত সৌভাগ্যবান তার হ*ত্যার ভিডিও ফেসবুকে এসেছে। গত এক মাসে ২২ জন কু*পিয়ে হ*ত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তাদের খু*নিদের ধরতে পুলিশের তেমন কোনো তৎপরতা প্রশাসনে দেখি না।

বিএনপির এ সংসদ সদস্য বলেন, সাংবাদিক সাগর-রুনি হ*ত্যাকাণ্ড সাত বছর পেরিয়ে গেছে। তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার সময় ৬৫বার পিছিয়েছে। সম্ভবত এ হ*ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এমন সব ব্যক্তি জড়িত যাদের ধরবার ক্ষমতা এই প্রশাসনের নেই। বিশ্বজিৎ হ*ত্যাকাণ্ড ছিল বিভৎস একটি ঘটনা। এতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে মূল আসামিরা মৃত্যুদণ্ডের বাইরে থেকে যায়।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যেই খবর আসছে, রিফাতকে (রিফাত হ*ত্যাকাণ্ডের আরেক আসামি) বাঁচানোর জন্য বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সহ-সভাপতি অত্যন্ত তৎপর আছেন। জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া ক্ষমতায় থাকার ফলস্বরূপ পুলিশকে পুরোপুরি দলীয়করণ করা হয়েছে।