মঙ্গলবার, ২২শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৭ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

দোষ স্বীকার করে জবানবন্দী হারুনের, মামলার এজহারে যা জানা গেল

news-image

সায়মাকে ধর্ষ*ণের পর হ*ত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক হারুন অর রশিদ। সোমবার (৮ জুলাই) তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আরজুন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন মহানগর হাকিম।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ৫ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে শিশু সায়মা খেলাধুলার নাম করে মনির হোসেনের পাশের ফ্ল্যাটে যায়। সায়মার বাবা মাগরিবের নামাজ শেষে ছেলে-মেয়ের জন্য নাস্তা কিনে বাসায় ফেরে এবং তার মাকে মেয়ের কথা জিজ্ঞসা করেন। তখন সায়মার মা জানায় যে, পাশের ফ্ল্যাটের প্রতিবেশি মনিরের বাসায় খেলতে গেছে। সন্ধ্যায় আনুমানিক ৭টার সময় সামিয়া বাড়িতে ফিরে না আসায় আমার স্ত্রী সানজিদা আক্তার মনিরের বাসায় খুঁজতে যায়। মনিরের বাসায় না পেয়ে আমার স্ত্রী ফেরত আসে। এরপর আমি আমার স্ত্রী ও বড় মেয়ে ফারজানা প্রতিবেশি মনির ও তার স্ত্রীসহ বিল্ডিংয়ে সমস্ত যায়গায় খুঁজতে থাকি। নিচ তলা থেকে, আশেপাশের ফ্ল্যাটে না পেয়ে নবম তলায় খালি যায়গায় খুঁজতে যায়। নবম তলায় সব জায়গায় তালাবদ্ধ থাকে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর নবম তলায় উত্তর পাশের ফ্ল্যাটের দরজা খোলা দেখে ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পাই যে, আমার মেয়ের পায়ের স্যান্ডেল দুটি পড়ে আছে। সেন্ডেল দেখে আমাদের সন্দেহ হলো ভেতরে রুমে খুঁজতে থাকি।

এজাহারে আরও বলা হয়, খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই ফ্ল্যাটের কিচেন রুমে সিঙ্কের নিচে গলায় শক্ত করে পাটের রশি দিয়ে পেঁচানো, মুখে রক্তাক্ত এবং পরনের হাফপ্যান্ট সামনের দিকে ছেড়া, রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়ের লাশ পড়ে থাকতে দেখতে পান তিনি। এরপর আমরা থানায় পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ এসে আমার মেয়েকে সিঙ্কের নিচ থেকে বের করে। এরপর ওয়ারী থানার পুলিশ আমার মেয়ের লাশের সুরতহাল প্রস্তুত ও ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। আমাদের ধারণা আমার মেয়ে মনিরের বাসা থেকে বের হয়ে আমার ফ্লাটে আসার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে কেউ নবম তলায় উত্তর পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের উত্তর-পশ্চিমের কোনো রুমে নিয়ে আমার মেয়েকে ধ*র্ষণ করে। এরপর সামিয়া গলায় শক্ত করে পাটের রশি দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বা*সরুদ্ধ করে হ*ত্যা করে।

উল্লেখ্য, রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের স্কুলছাত্রী সামিয়া আফরিন সায়মাকে (৭) ধ*র্ষণ করে হারুন অর রশিদ। এরপর নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকে সায়মা। মৃ*ত ভেবে সায়মার গলায় রশি দিয়ে টেনে রান্নাঘরের সিঙ্কের নিচে রেখে পালিয়ে যায় সে।

এ জাতীয় আরও খবর

শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালি করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে : ড. মো. এনামুর রহমান

সঙ্গীত শিল্পী ইমতিয়াজ খানের দাফন সম্পন্ন : আজ দোয়া মাহফিল

স্বামীর পরকীয়ায় বাঁধা ও যৌতুক না দেয়ায় স্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা!

রংপুরের পীরগাছায় ভাড়া নিয়ে দোকান দখল করার অভিযোগ

ঢাকা থেকে শিয়ালের মাংস এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেস্টুরেন্টে বিক্রি করছে একটি চক্র

নাসিরনগরে‘রেড কিং’ব্র্যান্ডের শো-রুম উদ্বোধন

প্রথম সন্তানের মা হলেন মা হলেন শে মিচেল

রোহিঙ্গাদের জন্য রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে ইইউ

রাজনৈতিক রং দেখে সহযোগিতা করি না, বললেন নোবেলজয়ী অভিজিৎ

ফের বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হলো সিচেলেসের শ্রমবাজার

দুই বাংলার তারকামেলা

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব : প্রথম পাতার লেখা মুছে প্রতিবাদ