রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিয়ের কথা বলায় পালাল প্রেমিক, থানায় প্রেমিকা

news-image

জেলা প্রতিনিধিঃ প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করেও কোনো কাজ হয়নি। অবশেষে থানায় মামলা করেছেন সাতক্ষীরা সদরের আগরদাড়ি ইউনিয়নের বাঁশঘাটা গ্রামের তরুণী মঞ্জিলা খাতুন। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রেমিকের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন প্রেমিকা। প্রেমিক আবু সাঈদ, আবু সাঈদের বোন সাবিহা খাতুন, আবু সাঈদের সহযোগী একই গ্রামের শাহিন ও ইমরান হোসেনকে এ মামলার আসামি করা হয়েছে।

প্রেমিকা বাঁশঘাটা গ্রামের শামসুর রহমানের মেয়ে মঞ্জিলা খাতুন মামলায় উল্লেখ করেছেন, একই গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে আবু সাঈদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এ সুযোগে আবু সাঈদ বিভিন্ন সময় শারীরিক সম্পর্ক গড়েন। এইচএসসি পাস করে মঞ্জিলা ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। প্রেমিক আবু সাঈদ তাকে বিয়ে করবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাকরি ছেড়ে বাড়ি ফিরতে বাধ্য করেন।

মঞ্জিলা খাতুন বলেন, গ্রামে এসে আবার মেলামেশার একপর্যায়ে বিয়ের কথা বললে আবু সাঈদ এড়িয়ে যায়। বিয়ের দাবি নিয়ে আবু সাঈদের বাড়ি দুই দফায় গেলে আমাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয় তার পরিবারের সদস্যরা। এ সময় আমার মোবাইল ভেঙে ফেলে তারা। আমাকে বিয়ে করবে না বলে আবু সাঈদ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মঞ্জিলা খাতুনের মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

প্রিয়া সাহা যা বললেন ভিডিও বার্তায়

প্রিয়ার ভয়ংকর মিথ্যা দাবি বিশ্বাস করার মতো বোকা নন ট্রাম্প: জয়

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রিয়া সাহার বিষয়ে

ভারতের সুপারিশে পাকিস্তানি সৈনিকের শীর্ষ বীরের সম্মান!

মিন্নিকে আরো ১০ দিন রি’মান্ডের হু’মকি, অভিযোগ বাবার

মিন্নির গ্রে’ফতার ও রি’মান্ড বিষয়ে প্রকৃত তথ্য ‍উদঘাটনের দাবি জাতীয় আইনজীবী সমিতির

মিন্নির মা-বাবার বিরুদ্ধে মা’মলা করবো : রিফাতের বাবা

একদিনেই হাওয়া পাঁচ হাজার কোটি টাকা

রেস্তোরাঁয় খাওয়ার পর বিল না দেয়ায় ২ পেঙ্গুইন গ্রে’ফতার

১০০ ডলার খরচ করে সাকিবের সঙ্গে ছবি তোলার লাইন

ঢাবিতে ‘নিজের পি’স্তলের গু’লিতে’ ছাত্রলীগে নেতা আ’হত

প্রিয়া সাহার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়াকে বাড়াবাড়ি বললেন ড. মিজান