রবিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অপরাধীদের বাঁচাতে আমার মেয়েকে ফাঁসানো হচ্ছে : মিন্নির বাবা

news-image

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হ*ত্যা মামলার ১ নম্বর সাক্ষী ও নিহতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ড প্রসঙ্গে তাঁর বাবা বলেন, আমার মেয়ে নির্দোষ। আমার মেয়ে ও পরিবারকে নিয়ে বরগুনার প্রভাবশালী একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। খু’নিদের বাঁচাতে আমার মেয়েকে ফাঁসানো হয়েছে। আজ বুধবার মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন বলেন এসব কথা বলেন। তিনি সঠিক তদন্ত করে যারা প্রকৃত দোষী, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মিন্নির বাবা বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে পুলিশ এসে আসামি শনাক্ত করার জন্য মিন্নিকে পুলিশ লাইনসে নিয়ে যায়। আমি সঙ্গে যাই। এরপর আমাকে নাশতা খেতে দিয়ে বাইরে বসিয়ে রেখে মেয়েকে পুলিশ লাইনসের ভেতরে নিয়ে যায় পুলিশ। আমি রাত ১০ টা পর্যন্ত মেয়ের জন্য বাইরে অপেক্ষা করি। এরপর আমাকে জানানো হয় মিন্নিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কী জন্য আমার মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। আমার মেয়ে এই মামলার ১ নম্বর সাক্ষী। গত ২৬ জুন প্রকাশ্য দিবালোকে রিফাতকে যখন স’ন্ত্রাসীরা কো’পাচ্ছিল, তখন আমার মেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁর স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। সে নিজের জীবনের দিকে তাকায়নি। কিন্তু দুর্ভাগ্য। আমরা কিসের বলি হলাম? স্বামীকে স’ন্ত্রাসীরা কু’পিয়ে খু’ন করার পর থেকে আমার মেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমি জানি না এখন তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে, কীভাবে আছে, তাও জানতে পারছি না।

মিন্নির বাবা অভিযোগ করেন, মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য মিন্নিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই খু’নের নেপথ্যে যারা আছেন তারা খুবই ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী। তাদের কাছে দুনিয়ার সবই হার মেনে যাবে। আমরা খুবই সাধারণ মানুষ, তাদের কাছে খুবই সামান্য। আমরা তাদের হাতে যেকোনো সময় শেষ হয়ে যেতে পারি। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার দাবি, আমাদের এই ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচান।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই মিন্নি তাঁর বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, যারা বরগুনায় ‘বন্ড ০০৭’ নামে স’ন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি করিয়েছিলেন, তারা খুবই ক্ষমতাবান ও বিত্তশালী। এই ক্ষমতাবানেরা বিচারের আওতা থেকে দূরে থাকা এবং এই হ*ত্যা মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য তাঁর শ্বশুরকে চাপ দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করিয়েছেন। এরপর ১৬ জুলাই মিন্নিকে পুলিশ লাইনসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে মিন্নিকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় বরগুনার বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এ ঘটনায় পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান। আবার অনেকে বলছেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত।

এ জাতীয় আরও খবর

স্ত্রী পালিয়েছে পরকীয়ার টানে, ক্ষোভে শ্যালিকাকে অপহরণ করে পাঁচমাস ধরে ধ’র্ষণ!

‘নাইমকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে খুন করি’

‘সুন্দরী-গরিব-অসহায় ছাত্রীদের জম মতিন স্যার’

বাংলাদেশেও ট্রাম্পের কৃচ্ছ্রনীতির খড়্গ!

৭ বছর পর পরিবারকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত খাদিজা

সাদিয়া অন্যকে বাঁচানো নিজেই আক্রান্ত ক্যান্সারে

রওশন এরশাদ, নায়ক আলমগীরসহ অনেকের কাছ থেকেই টাকা নিয়েছি

বাংলাদেশিরা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন কাতারে

গ্রুপ চ্যাট বন্ধ করছে ফেসবুক

প্রশিক্ষণে গিয়েই মাদকে ফাঁসানোর হুমকি, এএসপি বহিষ্কার

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নবীনগরের কিশোর পুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত

কন্ডিশনিং ক্যাম্পে মাশরাফি, নেই তামিম