রবিবার, ১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা

news-image

অনলাইন ডেস্ক : বর্তমান সময়ের সাইবার অপরাধীরা প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের জন্য ব্যবহার করছে নিত্য নতুন প্রযুক্তি এবং তার ফলাফলও পাচ্ছে।

২০১৭ সালে দুই বিলিয়ন সংরক্ষিত তথ্য সাইবার অপরাধীদের কুক্ষিগত হয়েছিল। ২০১৮ সালের প্রথমার্ধে ৪.৫ বিলিয়নেরও বেশি সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিবেদন অনুসারে, সেসব সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা যা ২০১৯ সালের পাশাপাশি ২০২০ সালের সাইবার বিশ্বে ক্রমবর্ধমান বাড়ার প্রবণতা রয়েছে।

অ্যাডভান্সড ফিশিং কিটস

এই কিটের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ড চারটি নতুন ম্যালওয়্যার নমুনা তৈরি করা হয়। ‘ফিশিং’কে তার দ্রুত গতিতে ছড়ানোর বিবেচনায় সর্বাধিক সফল আক্রমণকারী হিসেবে ধরা হয়। বেশিরভাগ ফিশিং সাইট মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার জন্য অনলাইনে সক্রিয় থাকে। ব্যবহারকারীদের মাত্র ১৭% শতাংশ ফিশিং আক্রমণের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করে। বেশিরভাগ ব্যবহারকারীর কাছে ‘ফিশিং’ একটি নামমাত্র ঝুঁকির নাম। ফলস্বরূপ আজকে কেবল ৬৫ শতাংশ ইউআরএল কে বিশ্বস্ত বলে মনে করা হয়।

রিমোট এক্সেস অ্যাটাক

প্রযুক্তির উন্নয়নে রিমোট এক্সেস অ্যাটাকের আশঙ্কা প্রতি মুহূর্তে বেড়েই চলেছে। ২০১৮ সালে রিমোট অ্যাক্সেস অ্যাটাকের প্রধান ধরন ছিল ক্রিপ্টোজ্যাকিং, যা ক্রিপ্টোকারেন্সি মালিকদের টার্গেটে পরিণত করে। রিমোট অ্যাক্সেসের শিকার হচ্ছে স্মার্ট হোম এপ্লায়েন্সগুলো। হ্যাকারদের প্রাথমিক আক্রমণ চলে কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ইন্টারনেট প্রোটোকল (আইপি) ক্যামেরা এবং নেটওয়ার্ক সংযুক্ত স্টোরেজ (NAS) ডিভাইসগুলো লক্ষ্য করে। কারণ এই সরঞ্জামগুলোর সাধারণ পোর্ট খোলা থাকে এবং ডেটা ইনপুটে বাহ্যিক নেটওয়ার্কের প্রয়োজন পড়ে।

স্মার্টফোন অ্যাটাক

স্মার্টফোনগুলোতে সবচেয়ে সাধারণ আক্রমণের শিকার হয়ে পড়ে কারণ ব্রাউজিং ব্যবহারে সতর্ক (ফিশিং, স্পিয়ার ফিশিং, ম্যালওয়্যার) না থাকা বা নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন না থাকা। আরএসএর মতে ৬০ শতাংশ প্রতারণার ঘটনা ঘটে মোবাইল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে এবং ৮০ শতাংশ মোবাইল হ্যাকে ব্রাউজারের পরিবর্তে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা হয়।

এ ব্যাপারে ক্রাফের সভাপতি জেনিফার আলম বলেন, বেশিরভাগ লোক তাদের আর্থিক কার্যাদি পরিচালনার জন্য স্মার্ট মোবাইল ব্যবহার করে বা তাদের হোম নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সংবেদনশীল তথ্য আদান প্রদান করে, যা ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বিশেষ হুমকি স্বরূপ।

এছাড়াও ব্যবহারকারীরা সাধারণত তাদের ফোনে তাদের সমস্ত তথ্য সংরক্ষণ করে এবং নিরাপত্তার জন্য স্মার্টফোনে টু-ফ্যাক্টর অথোরাইজেশন ব্যবহার করে। এটিও কিন্তু নিরাপদ পন্থা নয়, কারণ ডিভাইসটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হয়ে গেলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হুমকির মুখেই পড়ে।

এছাড়াও আজকাল বিশেষ হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছে আইওটি বা ইন্টারনেট অব থিংস। সাইবার অপরাধী চাইলেই প্রযুক্তির ওপর হামলা চালাতে পারছে। করছে ডার্ক ওয়েবের ব্যবহার।

শুধুমাত্র সচেতনতা ও সতর্কতাই আজ আপনার, আমার, সবার নিরাপত্তা রক্ষার একমাত্র হাতিয়ার।

এ জাতীয় আরও খবর

স্ত্রী পালিয়েছে পরকীয়ার টানে, ক্ষোভে শ্যালিকাকে অপহরণ করে পাঁচমাস ধরে ধ’র্ষণ!

‘নাইমকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে খুন করি’

‘সুন্দরী-গরিব-অসহায় ছাত্রীদের জম মতিন স্যার’

বাংলাদেশেও ট্রাম্পের কৃচ্ছ্রনীতির খড়্গ!

৭ বছর পর পরিবারকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত খাদিজা

সাদিয়া অন্যকে বাঁচানো নিজেই আক্রান্ত ক্যান্সারে

রওশন এরশাদ, নায়ক আলমগীরসহ অনেকের কাছ থেকেই টাকা নিয়েছি

বাংলাদেশিরা নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন কাতারে

গ্রুপ চ্যাট বন্ধ করছে ফেসবুক

প্রশিক্ষণে গিয়েই মাদকে ফাঁসানোর হুমকি, এএসপি বহিষ্কার

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নবীনগরের কিশোর পুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত

কন্ডিশনিং ক্যাম্পে মাশরাফি, নেই তামিম