বুধবার, ১৩ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং ২৯শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ ব্যবহার হলো ৬৪০ ইউনিট, বিল এলো ৭৭০ ইউনিটের

news-image

ঝালকাঠিতে বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা। বিল সংশোধনে অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা। বিল সংশোধন করতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে তাদের।

উপায় না পেয়ে ঝালকাঠির ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির নির্বাহী প্রকৌশলীকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন এক প্রবীণ শিক্ষক। হয়রানির শিকার সদর উপজেলার কৃষ্ণকাঠি টাইগার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আলী হায়দার তালুকদারের পক্ষে নির্বাহী প্রকৌশলীকে এ লিগ্যাল নোটিশ দেন অ্যাডভোকেট ফারুক হোসেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষক আলী হায়দার তালুকদার ঝালকাঠি ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির একজন গ্রাহক। গ্রাহক নং-২০৪১২১৪০৪, হিসাব নং-এ ৪০৪৭।গত ২৩ মে ১৯০৫২০৪১২১৪০৪ নম্বর বিল গ্রাহক বরাবরে ইস্যু করা হয়। ওই বিলে বর্তমান মিটার ১০৪৮৯ এবং পূর্ববর্তী রিডিং ৯৮৪০, যার ব্যবহৃত ইউনিট লেখা হয়েছে ৭৭০।

কিন্তু ওই বিলের বর্তমান ও পূর্ববর্তী রিডিংয়ের প্রকৃত বিয়োগ ফল হবে ৬৪০ অর্থাৎ ১৩০ ইউনিট বেশি লেখা হয়েছে। এছাড়াও ওই হিসাব নম্বরে গত ২১ জুন ১৯০৬২০৪১২১৪০৪ নম্বর বিল গ্রাহক বরাবরে ইস্যু করা হয়।ওই বিলেও বর্তমান মিটার ১১০৮০ এবং পূর্ববর্তী রিডিং ১০৪৮০, যার ব্যবহৃত ইউনিট লেখা হয়েছে ৭২০। কিন্তু ওই বিলের বর্তমান ও পূর্ববর্তী রিডিংয়ের প্রকৃত ফল হবে ৬০০ অর্থাৎ ১২০ ইউনিট বেশি লেখা হয়েছে। সর্বমোট দুটি বিলে ২৫০ ইউনিট বিল বেশি লেখা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে গ্রাহক আলী হায়দার তালুকদার লিখিত অভিযোগ নিয়ে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে যান। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অফিসের কম্পিউটার অপারেটর ওই অভিযোগ গ্রহণ না করে গ্রাহকের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। নোটিশ প্রাপ্তির সাতদিনের মধ্যে উপযুক্ত জবার প্রদানে ব্যর্থ হলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। সোমবার এ নোটিশ পাঠানো হয়।

একই সঙ্গে নোটিশের অনুলিপি পিডিবি চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপক, জেলা প্রশাসক, বরিশাল বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী ও ঝালকাঠি প্রেস ক্লাব সভাপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। সূত্রঃ জাগো নিউজ