সোমবার, ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

থানা থেকে পালিয়েও রক্ষা পাননি জাতীয় মহিলা পার্টি’র নেত্রী

news-image

সরাইল প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানাপুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি উপজেলা জাতীয় মহিলা পার্টির আহবায়ক নাজমা বেগমের। প্রায় এক ঘন্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানের পর থানা কমপ্লেক্সের পাশেই ছোট দেওয়ানপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে পুলিশ সদস্যরা নাজমাকে ফের আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

এরআগে গত রোববার সকালে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের বারজীবিপাড়া এলাকা থেকে কলেজছাত্র ইকরামের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দা নাজমা বেগম ও তার ভাই সাবেক ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসে। দুপুরের দিকে কৌশলে নাজমা তার বড় ভাইকে ফেলে থানার ডিউটি অফিসারের রুম থেকে পালিয়ে যায়।

সরাইল থানার ওসি শাহাদাত হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সোমবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ নিহত ইকরামের লাশ নিয়ে যখন ব্যস্ত সেই সুযোগে নাজমা বেগম থানা কমপ্লেক্স থেকে পালিয়ে যান। আমরা তাকে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় এনেছিলাম। তখনও আমরা তাকে আসামি হিসেবে ভাবিনি।

ওসি বলেন, নাজমা পালিয়ে গিয়ে প্রথমেই এই খুনের প্রধান আসামি শিমুলকে ফোন করেন। পরে তথ্য প্রযুক্তি’র সাহায্যে থানার পাশেই এক বাড়ি থেকে তাকে ফের আটক করে পুলিশ। এ হত্যা মামলায় নাজমা ও তার ভাই সহ পাঁচজন আসামি। সোমবার সকালে আটকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। নাজমা বেগম ও তার ভাই নাজিম উদ্দিনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, পূর্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে ইকরামকে খুন করে তার ভাগিনা সহ তিনজন। তারা হলেন, কালিকচ্ছ বারজীবিপাড়ার মৃত রবিউল্লাহ এর ছেলে মো. শিমুল (২৮), সদরের বড্ডাপাড়ার আবুল ফজল ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে ইমরানুল হাছান সাদী (১৯) ও কালিকচ্ছ বারজীবিপাড়ার রবিউল্লাহ এর ছেলে সোহাগ মিয়া (২৪)। নাজমা বেগম ও নাজিম উদ্দিন এই খুনের পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত বলে নিহতের পরিবারের দাবি।

উল্লেখ্য, রোববার (১১ আগস্ট) সকালে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের বারজীবীপাড়া থেকে কলেজছাত্র ইকরামের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। সে ওই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে ও সরাইল সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। ইকরামের পাশের বাড়ির পাশেই খালার বাড়িতেই থাকতো ইকরাম। রোববার সকালে খালাত বোন লাভলী বেগম বাড়িতে ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। পরে ঘরের ভেতরে তল্লাশি করে খাটের নিচে একটি বস্তা দেখতে পান। সেই বস্তার মুখ খুলে দেখেন ভেতরে তার মামাতো ভাই ইকরামের মরদেহ।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি মাছ নিষিদ্ধ!

কমলাপুরে ট্রেনের বগি থেকে মাদ্রাসাছাত্রীর লা’শ উদ্ধার

নিউটনের তৃতীয় সূত্র ভুল দাবি করলেন ভারতীয় এই বিজ্ঞানী

জম্মু-কাশ্মীরে পুরোপুরিভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে: মমতা

ডেঙ্গুজ্বর: যে ৪ লক্ষণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া জরুরি

পাক-ভারত সীমান্তে ফের গো’লাগু’লি, দুই ভারতীয় সেনাসহ নি’হত ৪

জনপ্রিয় নাট্যকার এম এ মজিদ হাসপাতালে ভর্তি

আখাউড়ায় বসতঘরে আগুন, প্রায় ৯ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আখাউড়া স্থলবন্দরে বেড়েছে ভ্রমনকারীর সংখ্যা,বাড়েনি সেবার মান

বাঞ্চারামপুরে বিয়ারসহ ৫ জনকে আটক করেছে র‌্যাব

বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রেরণায় মুসলমান হলেন জাপানি তরুণ, এখন ইসলাম প্রচারে ব্যস্ত

পাকিস্তানে কাশ্মীর নিয়ে পোস্ট করলেই ফেইসবুক, টুইটার বাতিল