শুক্রবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ৫ই আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আইভি রহমানের শাহাদত বার্ষিকীতে আ’ লীগের শ্রদ্ধা

news-image

নিউজ ডেস্ক : একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামী মহিলা লীগের সাবেক সভাপতি আইভি রহমানের ১৫তম শাহাদত বার্ষিকীতে তার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর বনানী কবরস্থানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা এ শ্রদ্ধা জানান।

প্রথমে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা জানান।

এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূলপরিকল্পনাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

সেখানে উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ইনাম আহমেদ চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ মাহমুদ হুমায়ুন এমপি, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরের নেতারা।

প্রতিবারের মতো এবারও বাদ আসর পরিবারের পক্ষ থেকে আইভি কনকর্ড টাওয়ারে (বাড়ি-২২, সড়ক-১০৮, গুলশান-২, ঢাকা) মিলাদ ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়া দিনটি উপলক্ষে ভৈরব উপজেলা ও শহর আওয়ামী লীগ নানান কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় আহত হয়ে ৪ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ২৪ আগস্ট মারা যান আইভি রহমান।

আইভি রহমান ১৯৪৪ সালের ৭ জুলাই কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব শহরের চন্ডিবে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম জেবুন্নেছা আইভি।

১৯৫৮ সালের ২৭ জুন নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে ভৈরবের কৃতীসন্তান জিল্লুর রহমানের ( প্রয়াত রাষ্ট্রপতি) সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

এরপর তার নামের সঙ্গে রহমান যুক্ত করে তিনি আইভি রহমান নামে পরিচিতি পান। তার বাবা জালাল উদ্দিন আহমেদ ছিলেন ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ। মা হাসিনা বেগম ছিলেন গৃহিণী।

৮ বোন ৪ ভাইয়ের মধ্য তিনি ছিলেন ৫ম। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালে আইভি রহমান মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং ১৯৮০ সালে তিনি কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। এরপর তিনি দীর্ঘদিন এ দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও আইভি রহমান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মীয়। তার বিয়ের সাক্ষী ছিলেন বঙ্গবন্ধু।