শুক্রবার, ২২শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নারীদের যে চারটি গুণ দেখে বিয়ে করতে বলেছেন রাসূল (সা.)

news-image

বিয়ে মানবজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। পৃথিবীর প্রায় সব ধর্মই বিয়েকে উৎসাহিত করেছে। বিয়ের মাধ্যমে জীবনসঙ্গী হিসেবে নারী-পুরুষ পরস্পরকে বেছে নেয়ার অধিকার লাভ করে। ইসলাম বিয়েকে ঈমানি দাবি হিসেবে উল্লেখ করেছে।  ইসলামের দৃষ্টিতে সুস্থ, সবল ও সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য বিয়ে করা আবশ্যক। যেহেতু বিয়ের মাধ্যমে মানুষ জীবনসঙ্গী নির্বাচন করে, ইসলামী শরিয়ত বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর সাক্ষাৎকে বৈধ করেছে। বরং তাতে উৎসাহিত করেছে। যেন দাম্পত্যজীবনে অতৃপ্তি থেকে না যায়।

কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা বিয়ে করো সেই স্ত্রীলোককে, যাদের তোমাদের ভালো লাগে।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩)

হজরত মুগিরা ইবনে শুবা (রা.) বলেন, আমি জনৈক নারীকে বিয়ের প্রস্তাব করলাম। রাসূল (সা.) আমাকে বললেন, ‘তুমি কি তাকে দেখেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাকে দেখে নাও। কেননা এতে তোমাদের উভয়ের মধ্যে ভালোবাসা জন্মাবে।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস : ৩১০৭)

অন্য হাদিসে এসেছে, এক লোক নবী করিম (সা.)-এর নিকট এসে বলল যে, সে আনসারি এক মেয়েকে বিয়ে করতে চায়। রাসূল (সা.) বললেন, ‘তাকে দেখেছ কি? কেননা আনসারদের চোখে দোষ থাকে।’ (সহিহ মুসলিম)

এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, শুধু দেখাই যথেষ্ট নয়; বরং পাত্র বা পাত্রীর কোনো ত্রুটি আছে কি না, তাও জেনে নেওয়ার অধিকার অন্য পক্ষের রয়েছে। পাত্র ব্যতীত তার পরিবারের অন্য পুরুষদের জন্য পাত্রী দেখার অনুমতি শরিয়ত দেয় না। আর চুল বের করা ও হাঁটানোর মতো বিব্রতকর কাজ অবশ্যই পরিহারযোগ্য।

অনেকেই বিয়ের সময় পাত্রীর সৌন্দর্য ও সম্পদকে বিবেচ্য বিষয় হিসেবে দেখে। এ ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি চোখে পড়লে মেয়ে ও তার পরিবারের সামনেই মন্তব্য করতে থাকে। যাতে মেয়ের পরিবার কষ্ট পায়, মনঃক্ষুণ্ন হয়। যেমন, মেয়ে কালো, চোখ সুন্দর না, ঠোঁট মোটা ইত্যাদি। ইসলাম এভাবে মন্তব্য করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে আত্মিক ও ঈমানের সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন।  তিনি বলেন, ‘নারীদের চারটি গুণ দেখে বিয়ে করো : তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার রূপ-সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী। তবে তুমি দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দেবে। নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫০৯০)

রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের নিকট কোনো পাত্র বিয়ের প্রস্তাব দেয়, যার দ্বীনদারী ও চরিত্র তোমাদের যদি পছন্দ হয়, তাহলে তার সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন করো। অন্যথা জমিনে বড় বিপদ দেখা দেবে এবং সুদূরপ্রসারী বিপর্যয়ের সৃষ্টি হবে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১০৮৪-৮৫)

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যখন কোনো নারী-পুরুষ নির্জনে একত্র হয়, তখন সেখানে তৃতীয়জন হয় শয়তান।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২১৬৫)

বিয়ের আগে পাত্রীর ছবি হস্তান্তরকেও শরিয়ত নিরুৎসাহ করে। কেননা এতে পাত্রীর ছবি পাত্র ছাড়াও অন্য পুরুষদের সামনে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তা ছাড়া বিয়ে না হলে সাধারণত এসব ছবি ফেরত দেয়া হয় না। যা পরবর্তী সময়ে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের ভয় থাকে।

এ জাতীয় আরও খবর

আবরার হত্যার ঘটনায় ২৬ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজ কৃষকের লাশ নদী থেকে উদ্ধার

চাকুরী রাজস্বখাতে নেয়ার দাবীতে রংপুরে সমবায় সমিতির কর্মীদের বিভাগীয় সমাবেশ

রংপুরে ৪৮ তম স্বশস্ত্র বাহিনী দিবস উদ্যাপিত

নবীনগরে ইয়াবা সম্রাট আতিক গ্রেফতার

ভুটান ঢুকলেই ৫৬০০ টাকা বাংলাদেশিদের প্রতিদিন গুনতে হবে!

মানসিক ভারসাম্যহীন শাহাবুদ্দিন হারিয়ে গেছে

ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : রংপুরের ডিসি

নাসিরনগরে নতুন ইউএনও’র যোগদান, ফুল দিয়ে বরণ

নাসিরনগরে বিশ্ব এন্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ পালিত

যুবলীগের নতুন নেতৃত্ব, যারা আছেন আলোচনায়

মরুর বুকে এগিয়ে চলছে বাংলা টাইগার্স