শুক্রবার, ২২শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

নাসিরনগরে চিকিৎসকের অভাবে সিজারিয়ান বন্ধ

news-image

আকতার হোসেন ভুইয়া,নাসিরনগর : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার(ওটি)ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবল ,এ্যানেসথেসিয়া ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে। যার ফলে এখানকার প্রসূতিদের পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দূর্ভোগ। উপজেলার প্রায় চার লক্ষাধিক মানুষের জন্য একমাত্র এ হাসপাতালটি ২০০৭ সালে উপজেলার একমাত্র হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও বাস্তবে সেবাদানের ক্ষেত্রে কোন প্রকার উন্নতি ঘটেনি।

এখানে অপারেশন থিয়েটার স্থাপন করা হলেও আজ পর্যন্ত কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হয়নি।এ কারনে অপারেশন থিয়েটারে স্থাপিত কোটি টাকার যন্ত্রপাতি অযত্ন অব্যবহ্নত অবস্থায় পড়ে থাকায় যন্ত্রপাতি গুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।আর এখানে দুর-দুরান্ত থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে অসহনীয় দূভোর্গের শিকার হচ্ছে রোগীরা। তারা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না পেয়ে চিকিৎসার জন্য জেলা সদরের হাসপাতালে যান। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের সিজারিয়ান(সিজার) করা জরুরি হয়ে পড়লেও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় তাদের কষ্টের সীমা থাকে না। বিশেষ করে গাইনি কোন ডাক্তার না থাকায় মহিলা রোগীদের চরম দূভোর্গ পোহাতে হচ্ছে । এখানে এক্স-রে মেশিন থাকলেও প্রতিস্থাপন ও মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (রেডিওগ্রাফি) অভাবে তা চালু করা যাচ্ছে না। তাছাড়া বছরের পর বছর অব্যবহ্নত ও তালা বন্ধ থাকায় প্রায় কোটি টাকা মূল্যের এসব চিকিৎসার যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । ভুক্তভোগীরা জানায়,এক্সরে মেশিন,ইসিজি ও জরুরী প্রসূতি (ইওসি) কার্যক্রম বন্ধ থাকায় চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। রোগীরা এক্সরে সুবিধা থেকে হচ্ছে এবং বাইরে চড়া মূল্য দিয়ে এসব করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডাঃ অভিজিৎ রায় জানান, সংশ্লিষ্ট বিভাগের জনবল না থাকায় সিজারিয়ান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। আমি যোগদান করেই এবিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। প্রয়োজনীয় লোকবল পেলেই প্রসূতি বিভাগের কার্যক্রম চালু করা হবে।