মঙ্গলবার, ১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জাবিতে সভা-সমাবেশ-মিছিল নিষিদ্ধ

news-image

জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উপাচার্য অপসরণের দাবিতে আন্দোলনের কারণে অর্নিদিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার পরেও বুধবার দফায় দফায় বিক্ষোভ, সংহতি সমাবেশ ও উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টার ভেতর হল থেকে সব শিক্ষার্থীদের বের করে দিলেও ক্যম্পাসে অবস্থান করছেন আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার জন্য উপাচার্যের বাসভবনের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এমতাবস্থায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও অফিস বা আবাসিক এলাকায় শিক্ষার্থীদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুস সালাম মিঞা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৫ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ছেড়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের দোকানপাটও বন্ধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই সময়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কোনো শিক্ষার্থীর অবস্থান সমীচীন নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে ও ভিতরে অবস্থানরত কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশ, মিছিল করতে পারবে না। এছাড়া কোনো অফিস বা আবাসিক এলাকায়ও অবস্থান করতে পারবে না শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধ ও সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

অপরদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় বিক্ষোভ ও সন্ধ্যায় ভিসির বাসভবনের সামনে কনসার্টের ঘোষণা দিয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, ভিসির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাই তার অপসারণের জন্য আমরা সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানিয়েছি। কিন্তু উপাচার্যে নিজেও পদত্যাগ করছেন না। তাকে সরানোও হচ্ছে না।

তারা বলেন, এ অবস্থায় জাহাঙ্গীরনগরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার আশঙ্কা করছি আমরা।

আন্দোলনকারী এক শিক্ষক বলেন, আমরা শঙ্কার মধ্যে আছি। যে প্রশাসন ছাত্রলীগ দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে তারা পুলিশ দিয়ে নিজেদের বেষ্টিত করে রেখেছে। যে কোনো সময় তারা হামলাও চালাতে পারে।

উল্লেখ্য, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আজ পর্যন্ত টানা ১২ দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার উপাচার্যের বাসভবন অবরোধের সময় বেলা ১২টার দিকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়। এ ঘটনার পরে এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় উপাচার্য। বাংলাদেশ জার্নাল

এ জাতীয় আরও খবর

অবশেষে দেশে ফিরছেন সেই সুমি

বিয়ে খেয়ে অসুস্থ দীপিকা

নুসরাত হত্যা : কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হলো ফাঁসির ১২ আসামিকে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি

ট্রেন দূর্ঘটনায় হাসপাতালে আহত শিশুটি খুঁজে পাচ্ছেনা পরিবারের কাউকে

তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা?

ট্রেন দুর্ঘটনা আর অন্যের মরদেহ দেখতে গিয়ে চাচা-চাচির লাশ পেলেন ভাতিজা

কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনা : হতাহতদের পরিচয় জানাচ্ছে তথ্যকেন্দ্র

কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

কসবায় ট্রেন দূর্ঘটনা : নিহত যাত্রীর বেশিরভাগই ছিলেন ঘুমিয়ে !

কসবায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষ ১৬ জন নিহত : তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি (ভিডিও সহ)

কসবায় দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ১৬