g বাঞ্ছারামপুরে ৩৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আইসিটি ‘‘প্রজেক্ট আছে,প্রজেক্টর নেই’’ | AmaderBrahmanbaria.Com – আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বৃহস্পতিবার, ২৭শে জুলাই, ২০১৭ ইং ১২ই শ্রাবণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

বাঞ্ছারামপুরে ৩৬ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আইসিটি ‘‘প্রজেক্ট আছে,প্রজেক্টর নেই’’

AmaderBrahmanbaria.COM
মার্চ ১৯, ২০১৭

---

ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর : বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ৩৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আইসিটি (ইনফরমেশন এন্ড কমউিনেগশন টেকনোলজি)তথ্য ও যোগাযোগ প্রক্তুক্তি ব্যবস্থা থাকলে ও অব্যবস্হাপনায় অনেকটা নিস্কিয় হয়ে পড়েছে। পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি আধুনিক  শিক্ষার প্রতি শিক্ষার্থীদের নিবিষ্ট করতে ও আইটি শিক্ষায় পারদর্শী করে তুলতে সরকার ২০১১ সাল থেকে  ‘আইসিটির মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার প্রচলন’ প্রকল্প হাতে নেয়।প্রজেক্টটি চলমান থাকলেও প্রজেক্টের আওতায় বরাদ্ধকৃত প্রজেক্টরগুলো প্রায় ব্যবহ্নত হচ্ছে না বলেই চলে। বাঞ্ছারামপুর পৌর শহরের  উচ্চ বিদ্যালয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানে গিয়ে জানা গেছে,বিভিন্ন বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকলেও এখন পর্যন্ত ক্লাস হয়নি। প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত ল্যাপটপ ও মডেম ব্যবহার করছেন একজন শিক্ষক। ছাত্রছাত্রীরা জানায়, তাদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমে ক্লাস করানো হয় না। তবে একটি স্কুলের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক শামছুল হুদা বলেন, ‘গত বছর দু-তিন দিন ক্লাস হয়েছে। নতুন বছরে এসে নানান সমস্যা ও কম্পিউটার সামগ্রী নষ্ট থাকায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার প্রশিক্ষক সোহরাব হাসান বলেন, ‘ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্ন মানের কম্পিউটার সরবরাহ করায় আমরা ভোগান্তির শিকার হয়েছি।উপজেলায় নামমাত্র থ্রিজি সুবিধা পাওয়া গেলেও গ্রাম এলাকায় এখনো নেটওয়ার্ক খুবই দুর্বল। সরেজমিনে,বাঞ্ছারামপুৃর উপজেলার রুপুসদী ইউনিয়নে অবস্থিত রুপুসদী বৃন্দাবন স্কুলে গেলে দেখা গেছে,- প্রতিটি ক্লাসে এত ছাত্রছাত্রী যে তাদের একসঙ্গে বসিয়ে ডিজিটাল ক্লাস নেওয়ার সুযোগই নেই। এস.এম পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো.নজরুল ইসলাম বলেন বলেন, ‘আমার স্কুলে ৭টি ক্লাশে প্রজেক্টর লাগানো আছে।৪জন শিক্ষক আইসিটি প্রশিক্ষন নিয়েছে।তারা ক্লাশ নেন।তবে,প্রায়ই ল্যাপটপ ,কম্পিউটার নষ্ট হয়ে যায়।কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে মেরামত করতে অনেক টাকা লাগে। স্কুলের পক্ষে বারবার মেরামত করা সম্ভব হয় না। নানা কারিগরি জটিলতা ও বাজেটস্বল্পতার কারণে কম্পিউটার ক্লাস নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

এ জাতীয় আরও খবর