g কোনো বিশেষ গোষ্ঠী নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন মহানবী সা. | AmaderBrahmanbaria.Com – আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া


মঙ্গলবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০১৭ ইং ২রা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

কোনো বিশেষ গোষ্ঠী নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন মহানবী সা.

AmaderBrahmanbaria.COM
অক্টোবর ১২, ২০১৭
news-image

---

ইসলাম ধর্ম ডেস্ক : মহান আল্লাহ প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সর্বশেষ নবী বানিয়ে পাঠিয়েছেন। তাঁর মাধ্যমেই নবীগণের ধারা সমাপ্ত হয়েছে। মহান আল্লাহ অন্যান্য নবীদেরকে বিশেষ অঞ্চল, বিশেষ সময়ের জন্য প্রেরণ করেছেন। তাঁদের দাওয়াত ও শিক্ষা অত্র অঞ্চলের মাঝেই সীমাব্ধ ছিল। হযরত মুসা আ. মিসর অঞ্চলে বনী ইসরাইলের প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন। তাঁর দাওয়াত ও নবুওয়াত অত্র অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ ছিল।

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নির্দিষ্ট কোনো জাতি, বিশেষ কোনো অঞ্চলের জন্য প্রেরণ করা হয়নি। বরং মহান আল্লাহ তাকে তাবৎ এ জগত, আগত অনাগত মানবতার জন্য মোটকথা কিয়ামত পর্যন্ত সকল মানুষের জন্য নবী বানিয়ে পাঠিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী ! আমি আপনাকে সমগ্র মানবতার জন্য সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি। ’(সূরা : সাবা : আয়াত : ২৮)

পবিত্র আয়াতে সমগ্র মানবতা দ্বারা উদ্দেশ্য পৃথিবীর সকল মানুষ, যারা কিয়ামত পর্যন্ত আসবে। পৃথিবী সকল অঞ্চলের মানুষ। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াত শুধুমাত্র আরবের জন্যই নয়। এবং কোনো কালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং মহান আল্লাহ তাঁকে সকল যুগের, তাবৎ মানুষের জন্য নবী হিসেবে প্রেরণ করেছেন।

প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুওয়াতের শিক্ষামালা কিয়ামত অবধি বলবৎ থাকবে। এ জন্যই তাঁর শিক্ষা আমাদের সারা জীবনকে ব্যাপৃত করে আছে। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষার দুটি দিক রয়েছে।

প্রথমটি হলো : শরিয়ত। যার মাধ্যমে কোনটি জায়েয। কোনটি না জায়েয। কোনটি হালাল। কোনটি হারাম। কোনটি ওয়াজিব। কোনটি সুন্নাত।

দ্বিতীয়টি হলো : উম্মতের জীবনে অনাগত নানা যুগে কী কী পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটবে। সে পরিস্থিতে উম্মত কী সমস্যায় সম্মুখিন হবে। এমন সমস্যায় সম্মুখিন হলে তা থেকে উত্তরণের পথ কী হবে।
দ্বিতীয় যে বিষয়,ভবিষ্যতে সংঘটিতব্য নানা সমস্যার বিষয়েও প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছেন। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নবুওয়াতের মাধ্যমে জেনে সে সম্পর্কে উম্মতকে সর্তক করে গেছেন। ফেতনা-ফাসাদের মুহূর্তে করণীয় কী হবে? তাও বলে গেছেন। ধারাবাহিকভাবে সে সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

এ দ্বিতীয় বিষয়টি নিয়েও প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অতি গুরুত্বের সঙ্গে শিক্ষা দিয়েছেন।