শুক্রবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

মেয়র প্রার্থীরর কর্মীদের বিরুদ্ধে আচরন বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

news-image

পাপন সরকার শুভ্র, রাজশাহী : রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এক মেয়র প্রার্থীর কর্মীদের বিরুদ্ধে আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে। বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে থেকে এ অভিযোগ এনে রিটানিং অফিসারের কাছে দরখাস্ত দেয়া হয়। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে রিটানিং অফিসার আমিরুল ইসলামের কাছে দরখাস্তটি পৌঁছান বুলবুলের নির্বাচনী সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জাল হোসেন তপু। এতে তিনি সাতটি অভিযোগ আনেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ্য করা হয়েছে, ৯ ও ১০ জুলাই নৌকা প্রতীকের কর্মীরা আচরণ বিধি ভঙ্গ করছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশের উপস্থিতিতে ১৩নং ওয়ার্ডে শহীদ নজমুল হক উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণালীর পিছনের মোড় পর্যন্ত রাস্তায় ধানের শীষ প্রতীকের কোন প্রকার ফেস্টুন ও পোস্টার লাগাতে দেওয়া হয়নি এবং ধানের শীশের কর্মীদের লাঞ্চিত করা হয়।

আর আগে নগরীর ৪ নং ওয়ার্ড বহরমপুর (বুলনপুর) এলাকায় সিহাবের বাড়ীর পাশে বিএনপি
মনোনিত প্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ধানের শীষ প্রতীকের ফেস্টুন ও পোষ্টারবাহী পিকাআপ ভ্যানের উপর নৌকা প্রতীক সমর্থিত কর্মীরা গত ৯ জুলাই রাত ৮টার দিকে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে (গাড়ি নং- রাজ মেট্রো ন-১১০১২২)। এতে বিএনপি মনোনিত মেয়র প্রার্থীর ফেস্টুন ও পোস্টার নষ্ট হয় এবং পিকআপ ভ্যানের লুকিং গ্লাস ভেঙ্গে যায়।

এ ছাড়াও ১০ জুলাই ২০নং ওয়ার্ডে বেলদারপাড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের টাঙ্গানো ফেস্টুন ভাংচুর করে এবং ঝুলানো পোস্টার ছিড়ে ফেলে। ওই দিন রাত ২টা হইতে ভোর ৬টা পর্যন্ত ধানের শীষ প্রতীকের লাগানো ফেস্টুন, বালিয়াপুকুর মোড় হইতে রুয়েট ও ভদ্রার মোড় পর্যন্ত সকল ফেস্টুন খুলে ফেলা হয়।

অপরদিকে, ওই রাতে অলকার মোড় হইতে আলুপট্টির মোড় পর্যন্ত ধানের শীষ প্রতীকের সকল ফেস্টুন, রাজশাহী সিটি কলেজ গেট হইতে সার্ভে ইন্সটিটিউট পর্যন্ত লাগানো ধানের শীষ প্রতীকের সকল ফেস্টুন, ৬নং ওয়ার্ডে জিপিও’র সামনে, ১৯ নং ওয়ার্ড ছোট বনগ্রাম এলাকায়, ২৭নং ওয়ার্ড বালিয়াপুকুর এলাকায় ও ৩০নং ওয়ার্ড বিনোদপুর বাজারে ধানের শীষ প্রতীকের প্রচার মাইক এর কর্মীদের চরথাপ্পর মারা হয় এবং প্রচার কাজে বাধা দেওয়া হয়।

মেয়র প্রার্থী বুলবুল বলেন, ‘পুলিশের সহযোগিতায় তার পোস্টার ও ফেস্টুন খুলে ফেলা হচ্ছে। নির্বাচনের এই যদি পরিবেশ হয় তা হলে নির্বাচন কমিশনকে এর দায় নিতে হবে।’

নির্বাচন অফিস থেকে বলা হয়, অভিযোগ তদন্ত খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।