শুক্রবার, ১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

মেয়েকেই জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত বানাবেন ট্রাম্প

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মেয়ে ইভানকাকেই জাতিসংঘের পররবর্তী রাষ্ট্রদূত বানাবেন। ইরানের প্রেসটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেছেন মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভেটারান্স টুডে পত্রিকার সিনিয়র সম্পাদক গর্ডন ডাফ।

গত মঙ্গলবার জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এর পরদিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ইভানকা জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূতের পদের জন্য শ্রদ্ধার পাত্র হবেন না। এছাড়া আমাকেও স্বজনপ্রীতির জন্য অভিযুক্ত করা হবে। তবে একথা ঠিক যে, বিশ্বের যেকোনও ব্যক্তির চেয়ে ইভানকা এ পদের জন্য বেশি যোগ্য।

আকস্মিকভাবে নিকি হ্যালির পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে ডাফ বলেন, নিকি হ্যালি মূলত জাতিসংঘে নানা বক্তব্যের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে হাসির খোরাকে পরিণত করেছেন এবং জাতিসংঘে তিনি ছিলেন সবার ঘৃণার ব্যক্তি। এ অবস্থায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন তার মেয়ে ইভানকা এবং জামাই জারেড কুশনারকে দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক ব্যর্থ নীতি বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন।

এই বিশ্লেষক বলেন, তবে কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইভানকাকে নিয়োগ দেয়া হবে না। বরং নির্বাচন শেষ হলে ট্রাম্প তার মেয়েকে জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেবেন। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক নীতি ট্রাম্প তার নিজের হাতে রেখেই বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা করছেন বলেও মন্তব্য করেন ডাফ।

এ জাতীয় আরও খবর

স্বর্ণের চেইন নিয়ে রিকশাচালকের বাড়িতে পুলিশ সুপার

বড় আদরের ছোটবোন

চলতি সপ্তাহে এশিয়ার সবচেয়ে বড় সম্মেলন এসোসিয়েশন অব সাউথ এশিয়ান নেশনসে (আসিয়ান) যোগ দেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে গুরুত্ব বেড়েছে পুতিনের। ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে জানায়, সিঙ্গাপুরে এবার আসিয়ানের ৩৩ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ট্রাম্পের পরিবর্তে এতে যোগ দিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। ফলে এশিয়ার বড় দেশগুলোর কাছে পুতিন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। সম্মলেন শেষে তোলা গ্রুপ ফটোতে দেখা গেছে, আয়োজক দেশ সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হাসিয়েন লংয়ের ঠিক পাশেই দাঁড়িয়েছেন পুতিন। আর অন্যপাশে একজনের পরে দাঁড়িয়েছেন মাইক পেন্স। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রেয়ুথ চান ওচা এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি স্কট মরিসনের মাঝখানে দাঁড়িয়েছিলেন পেন্স। আর এতেই নাকি গুরুত্বের বিষয়টি বোঝা যাচ্ছে বলে দাবি করছে ব্লুমবার্গ। সংবাদমাধ্যমটির দৃষ্টিতে, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে রাশিয়াকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এশিয়ার দেশগুলো। এদিকে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের বারত দিয়ে সিএনবিসি এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প আসিয়ানে না আসায় প্রমাণ হয়েছে তিনি এশিয়ার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নন। অবশ্য ট্রাম্প এশিয়ার প্রতি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন কীনা তা নিশ্চিত করতে পারেনি সংবাদমাধ্যমটি। অনেকে বলছেন, ট্রাম্পের কাজ মাইক পেন্স করতে পেরেছেন। কিন্তু এটা মানতে নারাজ অন্য একটি পক্ষ।

তারা এখন ‘ধানের শীষের’

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইইউ পার্লামেন্টের গভীর উদ্বেগ

চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল

ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাতে গেলেন শাকিব-অপু

খাসোগি হত্যা: সৌদি পাঁচ কর্মকর্তা মৃত্যুদণ্ডের মুখে, যুবরাজ জড়িত নন!

ব্লেজার ও স্বর্ণের ক্রেস্ট পেলেন তামিম-সাকিব-মুশফিক