বুধবার, ৩রা অক্টোবর, ২০১৮ ইং ১৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

‘বন্দুকযুদ্ধ’ ও গোলাগুলিতে নিহত ৫

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারে পুলিশের সঙ্গে কথিত পৃথক বন্দুকযুদ্ধে এবং বান্দরবানে ডাকাতদলের নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং ডাকাত। আজ রোববার ভোরে কক্সবাজারের টেকনাফ ও মহেশখালী এবং বান্দরবা‌নের নাইক্ষ্যংছ‌ড়িতে এসব ঘটনা ঘটে।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

টেকনাফ

টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দরগারছড়া এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ইমরান প্রকাশ পুতুইয়া মিস্ত্রি (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত ইমরান হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়া এলাকার আজিজুল হকের ছেলে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রণজিত কুমার বড়ুয়া জানান, ইয়াবা পাচারের গোপন সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় ইয়াবা কারবারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পুতুইয়া মিস্ত্রির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ সময় টেকনাফ থানার এসআই নাজিম, এএসআই মুরাদ, এএসআই দেলোয়ার ও সিপাহী ইমন আহত হয়েছেন। তাদের টেকনাফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে দুটি অস্ত্র, গুলি ও সাত হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের সাপেরডেইল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন মাহমুদুল করিম (২৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী। নিহত মাহমুদুল করিম ইউনিয়নের দক্ষিণকূল এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের সাপেরডেইল এলাকায় কিছু সন্ত্রাসী অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে- এমন খবরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছা মাত্র সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছোড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে।

এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাহমুদুল করিম নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে তাকে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় পাঁচ পুলিশ সদস্য এসআই দীপক, এএসআই সনজিব, সিপাহী ইব্রাহিম, মাইনউদ্ধিন, আফতাব উদ্দিন আহত হয়েছেন। তাদের মহেশখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের আশেপাশে তল্লাশি চালিয়ে আটটি দেশীয় বন্দুক, ২০ রাউন্ড গুলি ও ২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে।

ওসি বলেন, গুলিবিদ্ধ মাহমুদুল করিম একজন চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে অর্ধডজনের বেশি মামলা রয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বান্দরবান

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীতে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে তিন ডাকাত নিহত হয়েছে। আজ রোববার সকালে বাইশারী এলাকার থ্রি-স্টার রাবার বাগানের পাশে দ্বিন মোহাম্মদের এলাকা থেকে গুলিবিদ্ধ মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন- বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের আব্দুস সোবাহানের ছেলে আনোয়ার, কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া এলাকার নুরুল হকের ছেলে আব্দুল হামিদ ও সুপারিকাটা এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে মো. বাপ্পি ।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আলমগীর জানান, ভোর ৫টার দিকে ডাকাতি শেষে মালামাল ভাগভাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন ডাকাতরা। পরে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে তিনজন নিহত হন। ঘটনাস্থলে তিনজনের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

জুতা নিক্ষেপ, জানাজা পড়া হলো না এমপির

র‌্যাবের এএসপি সজিব আসল না নকল টের পাননি ৯ বউ

মন্ত্রিসভায় স্বর্ণ নীতিমালা অনুমোদন

৫ কিশোরকে ডেকে নিয়ে ন্যাড়া করে দিলেন প্রধান শিক্ষক!

আঙুলের চিকিৎসায় অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছেন সাকিব

ওসমানীতে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি অবতরণ

‘আপনারা ভাবছেন রাষ্ট্রপতি হয়ে মহাসুখে আছি’

দেশে ফিরেই স্ত্রীকে বিষ খাওয়ালেন প্রবাসী

বাবার ওপর হাফেজ-পুত্রের এ কেমন অভিমান!