শুক্রবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৮ ইং ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

উধাও হয়ে গেলো কবরীর ‌১২ লাখ টাকা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাহ বেগম কবরী, বাংলাদেশের মিডিয়া জগতে একটি আলোচিত এবং পরিচিত মুখ। বর্তমানে অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও ব্যস্ত রয়েছেন রাজনীতি নিয়ে। তবে খবর অভিনয় বা রাজনীতি নিয়ে নয় খবর হলো কবরীর বাসা থেকে সোনা উধাও হয়ে গেছে। তিনি দাবি করেছেন তার বাসা থেকে ১২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও ৫ লাখ টাকা উধাও হয়ে গেছে।

প্রাথমিকভাবে কবরীর অভিযোগ তার গাড়িচালক মোস্তফা, গৃহপরিচারিকা শেলি ও গৃহপরিচারক কাওসার মিয়া এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। কবরীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতারও করেছেন গুলশান থানা-পুলিশ। তবে ছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন ঘটনার মূল আসামি রতন পাল। ঘটনার ৩০ দিন পার হয়ে গেলেও রতনকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

কবরীর অভিযোগ রয়েছে বাসার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান সেবা গ্রুপের দিকেও। তিনি দাবি করেছেন এই ঘটনার সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে কবরী জানান, চুররি ঘটনাটি তিনি প্রথমে জানতে পারেন ২০ আগস্ট। এরপর তিনি ঢাকার গুলশান থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, রতন পাল তার পূর্বপরিচিত ছিল। তিনি বিভিন্ন পারিবারিক সমস্যার অযুহাতে কবরীর বাসায় আশ্রয় নেন।এপ্রিল থেকে রতন পাল কবরীর গুলশানের বাসায় থাকা শুরু করেন। এই সময় কবরী রতনকে বিশ্বাস করে তার বাসা দেখাশোনার দায়িত্ব দেন। একদিন রতনের কথায় সন্দেহ হয় কববীর। এরপর ২০ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় কবরী তার বাসার জিনিসপত্র সব ঠিকঠাক আছে কি না তা দেখা শুরু করেন। এ সময়ে রতন পাল কাউকে কিছু না বলে সুকৌশলে বাসা থেকে পালিয়ে যায়। এদিকে কবরী দেখেন আলমারি থেকে সাতটি সোনার চুড়ি, দুটি সীতাহার, চারটি স্বর্ণের আংটি, যার মূল্য আনুমানিক ১২ লাখ টাকা এবং ৫ লাখ টাকাসহ মোট ১৭ লাখ টাকা ও বেশ কিছু মালামাল এপ্রিল থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে চুরি হয়ে গেছে। পরে রতন পালের সঙ্গে আর তিনি যোগাযোগ করতে পারেননি। মোবাইল যোগাযোগ করার চেষ্টা করে হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

তবে চুরির বিষয়টি এতোদিন গণমাধ্যমের কাছে গোপন রেখেছিলেন কবরী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই মামলা করেছি। পুলিশের সঙ্গে কয়েকবার আলোচনা করেছি। তারা আমাকে আশ্বাস দিলেও এখনো মূল আসামিকে ধরতে পারেননি।